ড্রোনের ক্ষুদে আবিষ্কারক অপহরণের পর উদ্ধার
ড্রোনের ক্ষুদে আবিষ্কারক অপহরণের পর উদ্ধার
২০১৬-০১-২৪ ২২:২৫:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


রাডার ফাঁকি দিয়ে উড়তে সক্ষম ড্রোনের ক্ষুদে আবিষ্কারক শেখ নাঈম হাসান মুনকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে এক ঘণ্টা পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত যশোর ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় এই ড্রোন প্রদর্শন করেই শ্রেষ্ঠ তরুণ উদ্যোক্তার পুরস্কার জিতে নেয় মুন। নবম শ্রেণির অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র মুন গত শনিবার যশোর শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক অনুষ্ঠানেও শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভ করে। একটি সূত্র জানায়, অপহরণের পর মুনের কাছ থেকে ড্রোন আবিষ্কারের প্রযুক্তি জানার চেষ্টা করে তারা।

যশোর শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মোকাররম হোসেন ইত্তেফাককে জানান, যশোর জেলা স্কুলে অনুষ্ঠিত ৩৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের প্রথম দিন শনিবার কলেজের স্টলে মুনসহ ৫ ছাত্র তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শন করে। মেলা শেষে রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ছাত্রদের ইজিবাইকে উঠিয়ে তিনি সাইকেলে পিছনে আসছিলেন। সার্কিট হাউসের অদূরে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক ইজিবাইকের পথরোধ করে মুনকে তুলে সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের শহীদ আসাদ হলের পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। এ সময় মুনের ল্যাপটপ, সিপিইউসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রি অপহরণকারীরা ছিনিয়ে নেয়।

খবর পেয়ে সাংবাদিক ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখান থেকে মুন তারা মুনকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রাজু নামে মাইকেল মধুসূদন কলেজের এক ছাত্রকে পুলিশ আটক করলেও তার সহযোগিরা তাকে ছিনিয়ে নেয়। এদিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রেসক্লাবের সম্পাদক তৌহিদুর রহমান যশোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে মোবাইলে ঘটনা জানানোর চেষ্টা করলেও তারা কেউ ফোন ধরেননি।

যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল জানান, ছাত্রলীগের ছেলেরা মুনকে অপহরণ করেনি। ছেলেটি খারাপ। তাই তাকে জিজ্ঞাসার জন্য নিয়ে গিয়েছিল মাত্র।

মুনের বাবা স্থানীয় লোকসমাজের বার্তা সম্পাদক ও বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি রাজেক জাহাঙ্গীর ইত্তেফাককে জানান, তিনি ছেলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সোমবার প্রেসক্লাবে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করবেনবলে জানান।

যশোর কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শেখ গনি মিয়া জানান, ‘বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার জানার জন্যই মুনকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণাকরা হচ্ছে। আবার নারীঘটিত ব্যাপারও থাকতে পারে। তবে পুলিশের কাছ থেকে অপহরণকারীকে ছিনিয়ে নেয়ার ব্যাপারটি তার জানা নেই।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ফিচার এর অারো খবর