প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত সারসংক্ষেপ লাপাত্তা!
প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত সারসংক্ষেপ লাপাত্তা!
২০১৬-০১-১৪ ০৩:৪০:৩১
প্রিন্টঅ-অ+


প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে জারি করা হয়েছে অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোর গেজেট। অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদিত সারসংক্ষেপে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের পরিবর্তে নতুন দুটি প্রস্তাবনা ছিল। কিন্তু পে-স্কেল গেজেটে সেটি সংযোজন না করে ওই সারসংক্ষেপটি লাপাত্তা করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আর আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ভেটিংকৃত পে-স্কেলের কপি গেজেট আকারে জারি না করে অর্থ বিভাগ যে গেজেট জারি করেছে, এর মাধ্যমে সংবিধান, রুল্স অব বিজনেস ও সংসদ সচিবালয় নির্দেশমালা স্পষ্ট লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের স্থলে নতুন দুটি প্রস্তাবনা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। এর একটি হচ্ছে, চাকরির ১০ ও ১৬ বছরে দুটি স্বয়ংক্রিয় পদোন্নতি। আর অন্যটি হচ্ছে, আট ধাপে গ্রেড পরিবর্তন পদ্ধতি। সেটি ভেটিংও হয়। কিন্তু অর্থ বিভাগ গেজেট প্রকাশ করে অন্য একটি ফাইলের, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর দ্বিতীয় সুপারিশকে আট ধাপে গ্রেড পরিবর্তন পদ্ধতিকে বাদ দেওয়া হয়।

রুল্স অব বিজনেস অনুযায়ী এটি হওয়ার কথা নয়। এটি করায় রুল্স অব বিজনেস, বাংলাদেশের সংবিধান এবং বাংলাদেশ সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০১৪ লঙ্ঘন করা হয়েছে। আর এ জন্য নতুন বেতন কাঠমোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১২৩ ভাগ বাড়ানো সত্ত্বেও সৃষ্টি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ।

প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি (২৬ ক্যাডার) কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকেরকর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ অধিকাংশ সরকারি চাকরিজীবীই আন্দোলনে নেমেছেন। অর্থাৎ এই অসন্তোষের মূল কারণ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ষড়যন্ত্র—এমনটাই অভিযোগ করছেন অন্যরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেভাবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, এর বিরুদ্ধে কেউ উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলে কিংবা রিট করলে গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সচিবদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে। কারণ প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত সারসংক্ষেপকে লাপাত্তা করে অবৈধভাবে গেজেট প্রকাশ করা গুরুতর অনিয়ম।

অভিযোগ উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর সারসংক্ষেপ লাপাত্তা করে পে-স্কেল গেজেট প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত সরকারের প্রভাবশালী সচিবরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার গত রাতে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সারসংক্ষেপ লাপাত্তা করার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটি তদন্ত করে বের করা হোক। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সারসংক্ষেপের শেষের অংশ (গ্রেড উন্নয়নের ধাপগুলো) অবশ্যম্ভাবীভাবে পে-স্কেল গেজেটের অংশ। এটি অন্য কোনো লিগ্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট দিয়ে বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। এর বাস্তবায়ন গেজেট সংশোধনের মাধ্যমেই করতে হবে।

এদিকে বেতন কাঠামো নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, ১২৩ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি এবং এত সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো সত্ত্বেও কেন এত অসন্তোষ।

আর আইনমন্ত্রী ৪ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে পে-স্কেল সংক্রান্ত আলোচনায় বলেছেন, ‘আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ভেটিংকৃত কপি জারি না করে ভিন্ন কিছু জারি করা হয়েছে, যেটি আমার জানা নেই।’ অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘এটি খুবই দুঃখজনক যে শত যাচাই-বাছাই করে গেজেট প্রকাশের পরও বেতন কাঠামো নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রীর তৈরি সারসংক্ষেপ থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর বিকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, নবম গ্রেড থেকে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডে (চতুর্থ গ্রেড পর্যন্ত) পদোন্নতি হবে চাকরিকাল পূর্ণ ও সন্তোষজনক কাজ করার শর্তে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এতে কাউকে কোনো ধরনের তদবিরও করতে হবে না। অর্থাৎ চাকরির মেয়াদ ১০ বছর পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রথম পদোন্নতি এবং ১৬ বছর পূর্ণ হলে দ্বিতীয় পদোন্নতি পেয়ে উচ্চতর গ্রেডে যাবেন নবম গ্রেডের নিচের কর্মকর্তারা, যা বেতন কাঠামোয় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আট ধাপে গ্রেড পরিবর্তন পদ্ধতিটা ছিল, নবম থেকে অষ্টম গ্রেডে পদোন্নতি পেতে হলে চাকরির তিন বছর পূর্ণ করতে হবে। একইভাবে অষ্টম থেকে সপ্তম গ্রেডে পদোন্নতি পেতে হলে চার বছর, ষষ্ঠ গ্রেডে যেতে হলে পাঁচ বছর, পঞ্চম গ্রেডে ১০ বছর, চতুর্থ গ্রেডে ১২ বছর, তৃতীয় গ্রেডে ১৪ বছর, দ্বিতীয় গ্রেডে ১৭ বছর এবং প্রথম গ্রেডে পদোন্নতি পেতে হলে ২০ বছর চাকরি পূর্ণ করতে হবে। এ দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীই গ্রেড পরিবর্তনের পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হতেন।

প্রধানমন্ত্রীকে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দেওয়ার ফলে অনেকেই শুধু পদোন্নতি নয়, উচ্চতর বেতন থেকেও বঞ্চিত হবেন। এটি মোটেই কাম্য নয়। এ কারণেই তিনি বিকল্প ফর্মুলা বের করে তাতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়েছিলেন। এ প্রস্তাব নিয়ে অর্থমন্ত্রী ১৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। এর চার দিন পর ২২ নভেম্বর আবুল মাল আবদুল মুহিত ফর্মুলাটি লিখিতভাবে সারসংক্ষেপ আকারে শেখ হাসিনার কাছে পাঠান। তাতে প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেন ২৭ নভেম্বর। ওই দিন ও পরদিন সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার) থাকায় ২৯ নভেম্বর তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরদিন ৩০ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের কপি পেয়েই অর্থমন্ত্রী তা বাস্তবায়নের জন্য অর্থসচিবের কাছে পাঠান। এ সময় তিনি অর্থসচিবকে বলেছিলেন, জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগ আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সারসংক্ষেপ বাস্তবায়ন করবে এবং অর্থমন্ত্রীকে জানাবে। বিষয়টি আইনমন্ত্রীকেও জানানো হয়। কিন্তু ১৪ ডিসেম্বর রাতে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তটি প্রতিফলিত হয়নি। অর্থাৎ বেতন কাঠামোর গেজেটে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর বিকল্প প্রস্তাবের প্রথমটি স্বয়ংক্রিয় পদোন্নতি রাখা হলেও দ্বিতীয় প্রস্তাব অর্থাৎ আট ধাপে গ্রেড পরিবর্তন পদ্ধতি রাখা হয়নি। অথচ দ্বিতীয় প্রস্তাবটি রাখা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি প্রায় শতভাগ বাস্তবায়িত হতো এবং কোনো ধরনের অসন্তোষ বা ক্ষোভের সৃষ্টি হতো না। তাদের আন্দোলনেও নামতে হতো না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

রুল্স অব বিজনেস ১৯৯৬-এর ১৪(এ)(৩) ধারায় উল্লেখ আছে, কোনো অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে যদি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন আইনমন্ত্রী। শুধু তা-ই নয়, এ বিষয়টি সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা বাংলাদেশ সচিবালয় নির্দেশমালা ২০১৪-এর ২২৮ ও ২২৯-এর (১), (২)-এর (ক ও খ) এবং ৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে। এর মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যে কোনো ধরনের আইনি জটিলতার সমাধান অ্যাটর্নি জেনারেল এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদীয় বিভাগ দিতে না পারলে তা দেবেন আইনমন্ত্রী। অষ্টম পে-স্কেলের ক্ষেত্রে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এখানে উপেক্ষা করা হয়েছে আইনমন্ত্রীর মতামত। তার মতামত নেওয়া হলেও তা বেতন কাঠামোর গেজেটে যুক্ত করা হয়নি।

প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য স ম গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর ফর্মুলাটি কার্যকর হলে সমস্যার সমাধান শতভাগ না হলেও তা কমে যেত। কারণ নির্দিষ্ট সময় পরে সবাই উচ্চতর গ্রেডে যাওয়ার সুবিধা পেতেন। আমরা টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল চাইছি। কারণ আমাদের সময়মতো পরবর্তী গ্রেডে যাওয়ার সুযোগ নেই। অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হলে সবার মর্যাদা সমুন্নত থাকত। তাহলে আর এ ধরনের আন্দোলনের প্রয়োজন হতো না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রধানমন্ত্রীর ২৭ নভেম্বর অনুমোদিত অর্থমন্ত্রীর বিকল্প প্রস্তাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানের পথও খোলা ছিল। সারসংক্ষেপে বলা হয়েছিল, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব পদ দুটি বিশেষ পদ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। সিনিয়র সচিবের পদ নিয়মিতভাবে সৃষ্টি এবং তাদের অতিরিক্ত কিছু বেতন প্রদান করা হচ্ছে। এতে আপত্তি তুলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বিষয়টির সমাধানে অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করেছিলেন, সিনিয়র সচিবের পদ মাত্র ১০টি, যা এখানেই সীমিত রাখা হবে। ১২ লাখ সরকারি কর্মচারীর মধ্যে মাত্র ১০ জন সিনিয়র সচিব সামান্য উচ্চ হারে বেতন পাচ্ছেন। একজন শিক্ষক এবং একজন বিচারককে সমমানের পদ দেওয়ার প্রস্তাব ছিল অর্থমন্ত্রীর। মুহিতের প্রস্তাব ছিল জাতীয় অধ্যাপকদের সিনিয়র সচিবের সমান বেতন দেওয়ার। কিন্তু সেটিও গেজেটে প্রতিফলিত হয়নি। অর্থমন্ত্রী তার প্রস্তাবে আরও বলেছিলেন, যেসব ক্যাডারে শতাধিক সদস্য রয়েছেন সেগুলোতে অন্তত একটি প্রথম গ্রেডের পদ সৃষ্টি করতে হবে। এতে পরিবার পরিকল্পনা, কারিগরি শিক্ষা, সমবায়, ইকোনমিক, পরিসংখ্যান এবং টেলিকমে ছয়টি পদ সৃষ্টি হবে। এর ফলে প্রথম গ্রেডের ৩০টি পদের অতিরিক্ত আরও ছয়টি পদ থাকবে। একইভাবে আনসার, সড়ক ও জনপথ, সাধারণ শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, প্রাণিসম্পদ, মত্স্য, ডাক, গণপূর্ত, খাদ্য, বন ক্যাডারে একটি করে দ্বিতীয় গ্রেডের মোট ১০টি পদ সৃষ্টি করা হবে। এতে দ্বিতীয় গ্রেডে মোট পদের সংখ্যা হবে ১০১টি। একমাত্র বাণিজ্য ছাড়া প্রত্যেক ক্যাডারেই দ্বিতীয় গ্রেডের পদ থাকবে। তেমনিভাবে সমবায় ও পরিসংখ্যান ক্যাডারে একটি করে তৃতীয় গ্রেডের মোট দুটি পদ সৃষ্টি করা হবে। তৃতীয় গ্রেডে ২৪টি পদ রয়েছে। পদ নেই বাণিজ্য, সমবায় ও পরিসংখ্যান ক্যাডারে। নতুন দুটি পদ যোগ হওয়ার ফলে শুধু বাণিজ্যে এ গ্রেডে কোনো পদ থাকবে না। এই গ্রেডে বর্তমানে এক হাজার ২৯৪ জন কর্মচারী রয়েছেন। নতুন পদ সৃষ্টির পর এ সংখ্যা হবে এক হাজার ২৯৬। চতুর্থ গ্রেডে বর্তমানে বিভিন্ন ক্যাডারের যে পদ আছে সেখানে আরও ৩ শতাংশকে পদোন্নতি দেওয়া হবে। এতে প্রশাসন ক্যাডারে পঞ্চম গ্রেড থেকে ৪৫টি পদ চতুর্থ গ্রেডে আসবে। কৃষি ক্যাডারের মোট সংখ্যা পরিবর্তন না করে ৩৬টি পদ চতুর্থ গ্রেডে রাখা হবে। চতুর্থ গ্রেডে বর্তমানে পদসংখ্যা দুই হাজার ২৫১টি। তা বেড়ে দাঁড়াবে দুই হাজার ৪২৭টিতে। এসব ক্যাডারের নিযুক্তি ও পদায়ন নীতিমালাকে ছয় মাসের মধ্যে সংশোধন করে উপরিউক্ত পদগুলো ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কিন্তু পে-স্কেলের গেজেটে অর্থমন্ত্রীর এসব প্রস্তাবের কিছুই প্রতিফলিত হয়নি। কেননা প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা মনে করেন, এ ধরনের পদ্ধতি চালু হলে একসময় অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা সচিব পদে আসীন হবেন। আর এর মাধ্যমে প্রশাসনে তাদের ক্ষমতা কমে আসবে। এদিকে এ সমস্যার সমাধানে মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর