ডিজিটাল ভিক্ষুক!
ডিজিটাল ভিক্ষুক!
২০১৭-১২-২০ ১৩:৫৫:৫৪
প্রিন্টঅ-অ+


অ্যাপল পে কিংবা গুগল পে এর মতো বিভিন্ন সেবা ব্যবহারে করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডিজিটালি অর্থ প্রদান ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এক্ষেত্রে দেশ হিসেবে বেশ এগিয়ে আছে চীন। সেখানে অনেকেই নগদ টাকা সঙ্গে রাখেন না। এমনকি এই ক্যাশলেস ইকোনমি বা নগদহীন অর্থনীতির ট্রেন্ডে শামিল হচ্ছেন ভিক্ষুকরাও।

ভিক্ষুকরা কিউআর কোডগুলোর (কালো এবং সাদা স্ক্যান্যাবল বারকোড) মাধ্যমে ডিজিটালি ভিক্ষা গ্রহণ করছেন, এই কোড ব্যবহার করে পথচারীরা ডিজিটালি ভিক্ষা দিতে পারছেন।

চীনে কমদামী স্মার্টফোনগুলোতেও ‘উইচ্যাট’ এবং ‘আলিপে’ অ্যাপসের ব্যবহার ব্যাপক। উভয় অ্যাপে সরাসরি মোবাইল পেমেন্ট সুবিধা বিদ্যমান। ফলে শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মোবাইলের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনে অ্যাপ দুইটির ব্যবহার ব্যাপক।

আইবি টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীনে জনপ্রিয় ভ্রমণ স্পটগুলোতে ভিক্ষুকরা পর্যটকদের কাছ থেকে মোবাইল পেমেন্টের মাধ্যমে ভিক্ষা গ্রহণ করছেন। যেহেতু পথচারীরা নগদ রাখেন না, তাই ভিক্ষুকদের অর্থ উপার্জন করতে এটি সহজ উপায়।

কিন্তু কিউআর কোডের মাধ্যমে এই ডিজিটাল ভিক্ষাবৃত্তির নেপথ্যে কৌশলী এক চক্র কাজ করছে বলে জানিয়েছে অনলাইন গবেষণা সংস্থা চায়না চ্যানেল। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির মতে, অসাধু কিছু প্রতিষ্ঠান মূলত দরিদ্র নাগরিকদের অর্থ প্রদান করে থাকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিক্ষা করার জন্য। কারণ যেহেতু পেমেন্টেগুলো ডিজিটালি হচ্ছে, তাই প্রতিটি ট্রানজেকশন থেকে তার ছোট্ট একটি ভাগ নেয়।

এছাড়াও এই প্রক্রিয়ায় অর্থদাতা উইচ্যাট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে। কেননা অর্থ স্থানান্তরে এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত উইচ্যাট অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হয়। ফলে উইচ্যাটে থাকা ইমেইল এবং ফোন নম্বরগুলো অন্যের পক্ষে জেনে নেওয়াটা সম্ভব।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিচিত্রিতা এর অারো খবর