ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের অর্জন
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের অর্জন
স্টাফ রিপোর্টার
২০১৭-১২-২০ ১২:১৬:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+


ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে ওনার যোগ্য ও মেধাবী নেতৃত্বে বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে উল্লেখ করার মত অনেক সাফল্য এসেছে। ওনার হাত ধরেই টেলিকম সেক্টরে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে, কল ড্রপে গ্রাহক পাচ্ছে টাকা ফেরতের অপশন। তাছাড়া উনিই ডাক ব্যবস্থাকে করেছেন গতিশীল। ইন্টারনেটের স্প্রীড বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করার মত।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে কিছু অর্জন তুলে ধরা হলঃ

*বর্তমানে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১৪.০৭১ কোটি- যা ২০০৮-এ ছিল মাত্র ৪ কোটি ৬ লক্ষ এবং ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা বর্তমানে ৭.৭২ কোটি, যা ২০০৮-এ ছিল মাত্র ৪০ লক্ষ। বর্তমানে দেশে টেলিডেনসিটি ৮৬.৬%, যা ২০০৮-এ ছিল ৩৪.৫% এবং ইন্টারনেট ডেনসিটি ৪৭.৬২%, যা ২০০৮-এ ছিল ২.৬৭% ।

*মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট “বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১” উৎক্ষেপণ কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। Thales Alenia Space, France এর সাথে গত ১১ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে স্বাক্ষরিত ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সিস্টেম’ টার্ণ-কি চুক্তির আওতায় “বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১” এর নির্মাণ কাজ শতভাগ সমাপ্ত হয়েছে এবং উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় রয়েছে। কর্ম-পরিকল্পনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সকল টেস্টিং সফলভাবে সম্পন্ন হলে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত Cape Canaveral লঞ্চ প্যাড থেকে ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ অরবিটাল স্লটে “বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১” উৎক্ষেপন করা সম্ভব হবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণের পর সেটি পরিচালনার জন্য “বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড” নামক একটি সরকারি মালিকানাধীন অপারেটিং কোম্পানি গঠন করা হয়েছে। গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

*দেশে বিদ্যমান একটি মাত্র সাবমেরিন কেবল (SEA-ME-WE-4) থাকায় এর বিকল্প হিসেবে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (SEA-ME-WE-5) এর সাথে ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে যুক্ত করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ১০ সেপ্টম্বর ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল এবং কুয়াকাটায় অবস্থিত এর ল্যান্ডিং স্টেশন শুভ উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিদ্যমান SEA-ME-WE-4 এর ৩০০ Gbps Bandwidth এর অতিরিক্ত হিসেবে ক্রমান্বয়ে প্রায় ১,৫০০(এক হাজার পাঁচ শত) Gbps Bandwidth অর্জন করবে।

*মাত্র ৫ মাসে ১১ কোটি সীমের বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন্স সম্পন্ন।
*ডটবাংলা ডোমেইন ICANN কর্তৃক বাংলাদেশের অনুকূলে বরাদ্দপ্রাপ্তি।
*২য় সাবমেরিন ক্যাবল এ যুক্ত হওয়া।
*কুয়াকাটা ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণ শেষ হওয়া।
*রবি ও এয়ারটেল একীভূত হবার মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য প্রতিযোগিতা সৃষ্টি।
*কলড্রপে (একের অধিক) অপারেটর কর্তৃক কলফেরৎ দেওয়া।

*বিগত ১ বছরে কলড্রপে প্রদত্ত কল ফেরতের পরিমাণ:
১) গ্রামীণ: ৭ কোটি ৩৭ লাখ ২৩ হাজার ৯৩ কল মিনিট ফেরত।
২) রবি: ৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৯২ কল মিনিট ফেরত।
৩) বাংলালিংক: ১৫ কোটি ২৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ২৬০ কল মিনিট ফেরত।

*ডাক বিভাগের ২৩টি পয়েন্টে (ঢাকায়) ই-কমার্স সেবা চালু, এজেন্ট ব্যাংকিং (পাইলট) প্রকল্পের কাজ।
*টেলিকম নীতিমালা মন্ত্রিসভায় অনুমোদন।
*MNP (নাম্বার ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন) এর লাইসেন্স প্রদান।
(মার্চ এপ্রিলের মধ্যেই এই সেবা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া লক্ষ্য)।

* টেলিটকের রি-ব্রান্ডিং লোগো পরিবর্তন, প্রচার, সীম প্রাপ্তি ও টপআপ নিশ্চিত করার জন্য প্রায় সকল জায়াগায় টেলিচার্জ নিশ্চিত করা।
*টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার ৭৪ থেকে ৯৭ তে উন্নীত অর্থাৎ ২৩ টি সংযুক্ত করা।
*টেলিটকের রিটেইলার শাখা ৩৬,০০০টি থেকে ৫৬,০০০টিতে বৃদ্ধি (মোট ২০,০০০টি নতুন রিটেইলার
যুক্ত হওয়া)।
*নেটওয়ার্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত ‘‘Modernization and Expansion (MEP) of Teletalk’s 2G/3G Network up to Rural Areas ” শীর্ষক প্রকল্পটি জুন/২০১৮ এ শেষ হবে, তাতে যুক্ত হবে ১৭০০ টি 2G BTS ও ১৫০০ টি 3G NodeB।

*টেলিটকের একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পের অর্থ ছাড় হলে ২০১৯ সালের মধ্যে সকল উপজেলা নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে ও তথ্য প্রযুক্তি মহাসড়কে যুক্ত হবে।

*২৯০ টি উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার বসানোর কাজ সম্পন্ন করা।
* নতুন বছরের শুরুর দিকেই 4G সেবা জনগণকে দেবে সরকার।
* নতুন বছরে স্যাটেলাইট জগতে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ।
*ডাকও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ADP বাস্তবায়নে সকল মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন। পর পর ২ দুই বছর।
*বাংলাদেশে প্রথম স্মার্ট ফোন উৎপাদন কারখানার যাত্রা ও উৎপাদন শুরু।
*টেশিস ২৭ বছরের মধ্যে প্রথম লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত।
*ডাক বিভাগের যাত্রা হতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন।
* খুলনা ক্যাবল কারখানার ২৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন।
*মোবাইল ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ১০ম
* বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৮ম বৃহৎ টেলিকম মার্কেট।
*৯ বছরে ইন্টারনেট ব্যবহার ১০০% বৃদ্ধি।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিশেষ প্রতিবেদন এর অারো খবর