ইতিহাস সংস্কৃতি তুলে ধরে উন্নত চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন
ইতিহাস সংস্কৃতি তুলে ধরে উন্নত চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০৭-২৪ ২১:১১:৪৭
প্রিন্টঅ-অ+


চলচ্চিত্র নির্মাতাদের দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে তুলে ধরে উন্নত ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই যারা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তারা আরো উন্নতমানের এমন সিনেমা করবেন, যা আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি সবকিছু যেন ধারণ করতে পারে এবং পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবেও আমাদের এই শিল্পটা যাতে আরো মর্যাদা অর্জন করতে পারে। বিশেষভাবে এসব দিকে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’

সোমবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

পঁচাত্তরের বিয়োগান্তক অধায়ের পর দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনে বাধ্য থাকা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার কথা স্মরণ করে বলেন, এই ফিরে আসার মধ্যদিয়ে চেষ্টা করেছি যে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, হত্যা ক্যু, ষড়যন্ত্রের মধ্যদিয়ে দেশের ইতিহাস বিকৃত করা, আমাদের কৃষ্টিকে ধ্বংস করার একটি অশুভ তৎপরতা যেটা আমরা দেখেছিলাম আমি তার বিরুদ্ধেই প্রতিরোধ এবং প্রতিবাদ শুরু করি। বাংলাদেশে যেন একটি গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসে সে প্রচেষ্টাও চালাই। দুর্ভাগ্য যে, পঁচাত্তরের পরে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা আমাদের সংস্কৃতি সম্পূর্ণ ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, সেই সময়ও আমরা দেখেছি আমাদের দেশের কিছু তরুণ শিল্পী, কলাকুশলী, চিত্র নির্মাতারা এই সীমিত সুযোগের মধ্যেও অনেক নান্দনিক চলচ্চিত্র এদেশের মানুষকে উপহার দিয়েছেন। কাজেই সেদিক থেকে আমি মনে করি আমাদের দেশের মানুষের যথেষ্ট মেধা রয়েছে। একটু সুযোগ পেলে তারা অনেক ভালো সিনেমা নির্মাণ করতে পারে।

১৯৮৬ সালে এফডিসি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার কথা স্মরণ করে সে সময়ে বিরোধীদলে থাকা অবস্থাতেও এফডিসির সামনের সড়কটি চাপ প্রয়োগে তৎকালীন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে দিয়ে তৈরির প্রেক্ষাপটও স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় চলচ্চিত্রের কলাকুশলীদের দুঃসময়ে সহায়তার জন্য বিদ্যমান ট্রাস্ট ফান্ডটিকে আরো উন্নত করারও ঘোষণা দেন।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান একেএম রহমতউল্লাহ। তথ্য সচিব মর্তুজা আহমদ স্বাগত বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি এবং চলচ্চিত্র শিল্পে সম্পৃক্ত সব ধরনের কলা-কুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ২৫টি ক্যাটাগরিতে ৩১ জন শিল্পী, কলাকুশলীকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫ প্রদান করা হয়।

চিত্রনায়িকা শাবানা এবং সংগীতশিল্পী ফেরদৌসি রহমান আজীবন সম্মাননা পুরষ্কার লাভ করেন।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিনোদন এর অারো খবর