“ছবিতে ১০০০ লাইক চাই, নয়তো একে ফেলে দেবো”
“ছবিতে ১০০০ লাইক চাই, নয়তো একে ফেলে দেবো”
২০১৭-০৭-০১ ২২:১৬:০০
প্রিন্টঅ-অ+


একটি বহুতলের ১৫ তলার বারান্দা থেকে ঝুলছে একরত্তি শিশু। না, খেলতে গিয়ে বিপদে পড়েনি সে! বরং তাকে জামার কলার ধরে ঝুলিয়ে ধরে রয়েছেন শিশুটিরই এক আত্মীয়। বাঁ হাতে শিশুটিকে ঝুলিয়ে ডান হাতে ধরা মোবাইল ক্যামেরায় ছবি তুলে তা পোস্ট করেন নিজের ফেসবুক পেজে। ছবির নিচে লেখেন, “ছবিতে ১০০০ লাইক চাই, নয়তো একে ফেলে দেবো।”

চমকে দেওয়ার মতো এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর আফ্রিকার আলজিরিয়ায়। গত রবিবার ওই ব্যক্তি ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করার পর সেটিকে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নজিরবিহীন এই ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। কেউ কী করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক বা কমেন্ট পাওয়ার মোহে একটি শিশুকে এ ভাবে বিপদে ফেলতে পারেন, তা ভেবে কুল পাচ্ছেন না তাঁরা। অনেকে ওই ব্যক্তির মানসিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

ইদানীং গোটা বিশ্বে বিপজ্জনক ভাবে সেলফি তুলতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন বহু মানুষ। তার উপর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি মানুষকে যে ভাবে দিনের পর দিন আরও বেপরোয়া করে তুলছে, তা চিন্তা বাড়িয়েছে বিশ্বের অসংখ্য মনোবিদের।

আলজিরিয়ার সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, শিশু নিগ্রহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই ব্যক্তিকে। যদিও সে দেশের এক সংবাদ মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। বারান্দার ঘেরাটোপেই শিশুটিকে নিয়ে এই ছবিটা তোলা হয়েছিল। শিশুটির জীবন কোনও ভাবেই বিপন্ন করেননি তিনি। অভিযুক্ত ব্যক্তি পাল্টা অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার বিরুদ্ধেই। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটিকে বিকৃত করা হয়েছে। যদিও ওই ব্যক্তির সব দাবি, অভিযোগ উড়িয়ে তাঁকে দু’ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিদেশ এর অারো খবর