ব্রেকিং নিউজ বিজয় দিবসে দি ইঞ্জিনিয়ার্স-এর সকল পাঠক-পাঠিকা, গ্রাহক-অনুগ্রাহক, বিজ্ঞাপনদাতা, দেশবাসী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
বাংলাদেশের ন্যানো স্যাটেলাইটর মহাকাশ যাত্রা
বাংলাদেশের ন্যানো স্যাটেলাইটর মহাকাশ যাত্রা
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০৬-০৫ ২২:২৫:৫৪
প্রিন্টঅ-অ+


৪ জুন রবিবার দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সাফল্যের একটি মাইলফলক হয়ে থাকল। ওই দিন মধ্যরাত ৩টা ৭ মিনিটে একটি কার্গো রকেট মহাকাশে রওনা হয় বাংলাদেশের বানানো প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট ‘ব্র্যাক অন্বেষা’কে নিয়ে।

১০ সেন্টিমিটার কিউব আকৃতির ও এক কেজি ওজনের এই ন্যানো স্যাটেলাইট মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স আর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সিআরএস-১১ অভিযানের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের আগে নাসার এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্লোরিডায় আমাদের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলীয় স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৭ মিনিটে ফ্যালকন ৯ রকেট উৎক্ষেপণ করা হবে। ’

বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের হেড অব কমিউনিকেশন্স সোহেল ইকবাল জানান, ‘ব্র্যাক অন্বেষা’ সোমবার (আজ) মহাকাশে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস সেন্টারে (আইএসএস) পৌঁছে যাবে। সেখান থেকে জুনের শেষ অথবা জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে স্থাপন করা হবে নির্দিষ্ট কক্ষপথে। এ কক্ষপথটি হবে ৪০০ কিলোমিটার ওপরে। কক্ষপথে স্থাপনের পর এই ন্যানো স্যাটেলাইট থেকে ডাটা পাঠানো হবে। বাংলাদেশে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মহাখালী ক্যাম্পাসের ছাদে স্থাপিত গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে ডাটা রিসিভ করা হবে।

ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরির ৩ কারিগর হচ্ছেন রায়হানা শামস্ ইসলাম, আবদুল্লাহ হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মনোয়ার। তিনজনই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল (ইইই) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা জাপানে মাস্টার্স করছেন। গতকাল স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের পর তাঁরা ভিডিও পোস্টে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

এই ন্যানো স্যাটেলাইটটি পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে আসতে ৯০ মিনিটের মতো সময় নেবে। এটি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দিনে চার থেকে ছয়বার উড়ে যাবে। নানা বিষয়ে গবেষণার জন্য উচ্চমানের ছবি তুলে পাঠাবে স্যাটেলাইটটি। মহাকাশসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ করা হবে এর অন্যতম কাজ।

গত ২৫ মে গ্রাউন্ড স্টেশনের উদ্বোধন হয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মহাখালী ক্যাম্পাসের ৪ নম্বর ভবনের ছাদে। উদ্বোধন করেন ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা তাঁদের গবেষণা ও শিক্ষাদান কার্যক্রমে ন্যানো স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করবেন। মহাকাশ গবেষণা এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরি করাও এই গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনের একটি অন্যতম বিশেষ উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি এর অারো খবর

top
ব্রেকিং নিউজ বিজয় দিবসে দি ইঞ্জিনিয়ার্স-এর সকল পাঠক-পাঠিকা, গ্রাহক-অনুগ্রাহক, বিজ্ঞাপনদাতা, দেশবাসী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
facebook
Advertisement