‘মহাপরিকল্পনা ২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব’
‘মহাপরিকল্পনা ২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব’
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০৫-২৫ ০১:০৯:২৯
প্রিন্টঅ-অ+


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জ্বালানি মহাপরিকল্পনা ২০৩০ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিল্প খাতে ৩১ শতাংশ ও আবাসিক খাতে ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।

বুধবার রাজধানীর স্রেডার কনভেনশন হলে জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে অর্থায়ন প্রকল্পের আওতায় অনাপত্তিপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

নসরুল হামিদ বলেন, শিল্প কারখানাতে জ্বালানি সাশ্রয় ও জ্বালানি দক্ষতা অর্জনে প্রণোদনা প্রয়োজন। সাশ্রয় উৎপাদনের চেয়ে অনেক লাভজনক। শিল্প মালিক ও জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জ্বালানি দক্ষ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৪ শতাংশ সুদে মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডকে ১২৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডকে ১১০ কোটি টাকা, প্রিটি ইকো এপারেলস ভিলেজ লিমিটেডকে ৮৪ দশমিক ৪ কোটি টাকা এবং তিথি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডকে ৫৭ দশমিক ৭৬ কোটি টাকা ঋণ সুবিধা প্রদানের জন্য টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) কর্তৃক অনাপত্তিপত্র প্রদান করা হয়। এ ঋণ সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে জ্বালানি দক্ষ যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে পণ্য উৎপাদনে জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস পাবে ও উৎপাদন ব্যয় কমবে।

স্থাপত্য, বাড়ি-ঘর ও অবকাঠামো নির্মাণে সাশ্রয়ী জ্বালানির বিষয় অন্তর্ভুক্তের গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, এনার্জি অডিট প্রতিটি শিল্পেই করা উচিত। জাইকা এ খাতে বাংলাদেশকে ৯০০ কোটি টাকা দেওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি এ সহায়তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।

স্রেডার চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্লাইমেট পার্লামেন্টের সভাপতি সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বক্তব্য রাখেন।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর