ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে পর্দা নামল আইপিইউ সম্মেলনের
ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে পর্দা নামল আইপিইউ সম্মেলনের
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০৪-০৬ ০০:১৮:৫৬
প্রিন্টঅ-অ+


ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সম্মেলন।

ঢাকা ঘোষণায় বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যমত, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করাসহ ১৮টি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে সম্মেলন শেষে হল অব ফেমে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা ঘোষণা তুলে ধরেন আইপিইউর প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী।

এ সময় সম্মেলনের সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আইপিইউর মহাসচিব মার্টিন চুংগং, ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আইপিইউর প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘সফলভাবে ১৩৬তম সম্মেলন শেষ করতে পেরে আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করছি। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলনটি চমৎকারভাবে করেছি। একটি জাতি হিসেবে এটা আমাদের অনুপ্রেরণা। এ সম্মেলনের গৃহীত প্রস্তাব বাস্তবায়ন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা এ সম্মেলন সফলভাবে শেষ করে ভয়কে জয় করেছি। আগামীতেও যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের পার্লামেন্টারি ফোরাম ঐক্যবদ্ধ থাকবে। সন্ত্রাসবাদের অশুভ তৎপরতায় আমরা ভয় পেয়ে বসে থাকব না।’

তিনি আরো বলেন, ‘এবারের সম্মেলনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ওপর বিশ্ব গণতান্ত্রিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি। দশম জাতীয় সংসদের ওপর যে তাদের আস্থা আছে, সেটা প্রমাণিত হলো।’

চলতি বছরের অক্টোবরে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে আইপিইউর পরবর্তী অর্থাৎ ১৩৭তম সম্মেলন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেখানেও (সেন্ট পিটার্সবার্গ) সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এজন্য কি আমরা বসে থাকব? না, এই ঢাকার সম্মেলন আমাদের বলছে, আমরা সেখানে যাব।’

সমাপনী ভাষণে ভারতীয় প্রতিনিধি আর কে সিং বলেন, ‘এবারের আইপিইউ সম্মেলন আমার দেখা সফলতম সম্মেলন। আমি অভিভূত হয়েছি। বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য উঠে এসেছে মেলায়। আমরা বুঝতে পারি- একটা সম্মেলন করতে কত শ্রম দিতে হয়েছে।’

আইপিইউর সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং বলেন, ‘এ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যে পার্থক্য থাকে তা কমে আসবে। সহযোগিতার মনোভাব দেখাতে হবে। ঢাকা আমার জন্যে ভাগ্যের শহর। কোনো ধরনের বিরোধিতা ছাড়াই আমাকে আরো চার বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল- সমাজের বৈষম্য নিরসনের মাধ্যমে সবার মর্যাদা ও মঙ্গল সাধন। এই প্রতিপাদ্যের ওপর রোববার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নোবেল বিজয়ী শিশু অধিকারকর্মী কৈলাশ সত্যার্থী। পরে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এই প্রতিপাদ্যের ওপর আলোচনা করেন।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর