জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্রতিযোগিতা
জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্রতিযোগিতা
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০৩-১৬ ১৫:৪১:১৫
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে মোবাইলভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বিশ্বের বিলিয়ন ডলারের বাজারে প্রবেশে উৎসাহ ও সহায়তা দিতে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭’।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ ও ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭ আয়োজিত হতে হচ্ছে। এতে জাতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড সামিট মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হবেন।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সহযোগী গুগল ডেভেলপার গ্রুপ সোনারগাঁও এবং জিডিজি বাংলা। দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্মিত সেরা মোবাইল কনটেন্ট ও উদ্ভাবনী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের প্রাপ্য স্বীকৃতি প্রদানই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমাদের তরুণ-তরুণীদের মেধা ও মননকে পৃষ্ঠপোষণা ও সহযোগিতা করার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই, দেশসেরা মোবাইলভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে দিতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজন করছে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭। আমি আমাদের মেধাবী তরুণ প্রজন্মকে এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রমে তাদের মেধা বিকাশে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রতিযোগিতায় যেকোনো ধরনের মোবাইলভিত্তিক (এসএমএস, আইভিআর, অ্যাপ্লিকেশন, গেম) উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পারবে। জাতীয় পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ৮টি ক্যাটিগরিতে বিজয়ী সেরা উদ্যোগগুলো তুলে ধরতে পারবেন। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আবেদন করতে পারবেন। নিবন্ধন ও মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য http://appaward.ictd.gov.bd এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে।

জিডিজি বাংলার কো–ম্যানেজার রাহিতুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে আমাদের জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭’ মনোনয়ন জমার শেষ সময় ছিল ১৫ মার্চ। অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর অনুরোধে সময় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আমাদের কাছে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২ শতাধিক মনোনয়ন জমা পড়েছে। যেহেতু সময় আরো বাড়ানো হয়েছে সেহেতু আরো ৩ শতাধিক মনোনয়ন জমা পড়বে বলে আশা করছি।’

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ১ম জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার বিজয়ী ৮টি দল বিশ্বের ডিজিটাল কনটেন্টের সব থেকে সন্মানজনক স্বীকৃতি ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হয়। আন্তর্জাতিক ওই প্রতিযোগিতায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রিটিকালিংক মোবাইল অ্যাপ স্বাস্থ্য বিভাগে বিজয়ী হয়।

এবার ৮টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হবে। এগুলো হচ্ছে- গভর্নমেন্ট অ্যান্ড সিটিজেন এনগেজমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ওয়েল বিং, লার্নিং অ্যান্ড এডুকেশন, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড গ্রিন এনার্জি, কালচার অ্যান্ড ট্যুারিজম, স্মার্ট সেটেলমেন্ট অ্যান্ড আরবানাইজেশন, বিজনেস অ্যান্ড কমার্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট। এসব ক্যাটাগরিতে মোবাইল ও ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুতকারী কোম্পানি, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করবে জুরিবোর্ড। আগামী অক্টোবরে আটটি ক্যাটাগরি থেকে আটজন বিজয়ী নির্বাচন করা হবে এবং মনোনীত করা হবে ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য।

ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কার:

তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রিয়াভিত্তিক এই সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনকে সম্মানসূচক এই অ্যাওয়ার্ড দিয়ে আসছে। সম্মানজনক এই অ্যাওয়ার্ডের জুরিবোর্ডে ইতালি, ব্রাজিল, তুরস্ক, ভারত, অস্ট্রিয়া, বাহরাইন, বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক, মিশর, জার্মানি, বাংলাদেশ, গুয়েতেমালা, কেনিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, কুয়েতসহ বিশ্বের ৫০ দেশের শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি এর অারো খবর