২৩ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন রুয়েট ভিসি
২৩ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন রুয়েট ভিসি
২০১৭-০২-০৫ ২০:৪৩:৫১
প্রিন্টঅ-অ+


টানা ২৩ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ভিসি অধ্যাপক মোহা. রফিকুল আলম বেগসহ অন্তত ২৫ শিক্ষক।

রোববার একাডেমিক কমিটির জরুরি সভায় আরোপিত ক্রেডিট প্রথা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। পরে এ সিদ্ধান্তের কথা জানালে বেলা দেড়টার দিকে কর্মসূচি তুলে নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এরপর শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল করেন। এ সময় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।

সভা শেষে একাডেমিক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ইকবাল মাতিন জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সভায় ৩৩ ক্রেডিট প্রথা বাতিলের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে গৃহিত হয়েছে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে আন্দোলনরত ১৪ ও ১৫ সিরিজের শিক্ষার্থীদের বন্ধ থাকা ক্লাস-পরীক্ষা যথারীতি চালু করা হবে। ওই দুই সিরিজের শিক্ষার্থীদের হলে থাকা নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়া হয়েছে।

এর আগে দাবি আদায়ে শনিবার বেলা ২টা থেকে শিক্ষার্থীরা নিজ কার্যালয়ে ভিসিসহ অন্তত ২৫ শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, একাডেমিক কমিটিতে ক্রেডিট প্রথা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে আমরা এখনও আনুষ্ঠানিক নোটিস পাইনি। তবে আমরা আশ্বস্ত হয়ে কর্মসূচি তুলে নিয়েছি।

এ বিষয়ে ভিসি অধ্যাপক মোহা. রফিকুল আলম বেগ বলেন, দাবি মেনে ক্রেডিট প্রথা বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু কিছু শর্ত থাকছে শিক্ষার্থীদের জন্য, সেগুলো তারা মেনে নেবে আশা করি।

তবে কী ধরনের শর্ত সেটা পরিষ্কার করে বলেননি তিনি।

জানা গেছে, ‘নূন্যতম ৩৩ ক্রেডিট’ প্রথায় রুয়েট শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে বাধ্যতামূলক ৪০ ক্রেডিটের মধ্যে ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জন করতে হয়। ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ প্রথা চালু করে রুয়েট প্রশাসন। এর আগে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা অনুপস্থিতির কারণে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে ব্যর্থ হলেও পরবর্তী বর্ষে ক্লাস-পরীক্ষা দিতে পারতো।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

শিক্ষা এর অারো খবর