মুঠোফোন আমদানিতে ভোগান্তি কমছে
মুঠোফোন আমদানিতে ভোগান্তি কমছে
২০১৭-০১-২৪ ০০:৩৩:১১
প্রিন্টঅ-অ+


দেশে মুঠোফোন আমদানিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনাপত্তি সনদ বা এনওসির মেয়াদ তিন মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়েছে। মুঠোফোন আমদানিকারকদের ভোগান্তি কমাতে বিটিআরসির সর্বশেষ কমিশন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিটিআরসি সচিব ও মুখপাত্র সরওয়ার আলম বলেন, মুঠোফোন আমদানির এনওসির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোন আমদানিকারকেরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছিল। এর ফলে আমদানিকারকদের ভোগান্তি ও কমিশনের দৈনন্দিন কাজকর্মের চাপ—দুটোই কমবে।

টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী, মুঠোফোনের মতো যেকোনো বেতার যন্ত্রপাতি আমদানি ও ব্যবহারে বিটিআরসির এনওসি নিতে হয়। বিটিআরসির সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ৮৫০টি প্রতিষ্ঠানের বেতারযন্ত্র আমদানির লাইসেন্স রয়েছে। এর মধ্যে সক্রিয় মুঠোফোন ও টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক-সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিকারকের সংখ্যা ১০৮। ২০১৬ সালে দেশে প্রায় তিন কোটি মুঠোফোন আমদানি হয়েছে।

মুঠোফোন আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রেজওয়ানুল হক বলেন, এনওসি পাওয়ার পর এলসি খোলা, ক্রয়াদেশ দেওয়া, পণ্য জাহাজীকরণসহ সব প্রক্রিয়া শেষ করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তিন মাসের বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়। এর ফলে একই পণ্য আমদানির জন্য এত দিন একাধিক এনওসি নিতে হতো। ছয় মাস সময় পেলে সেই ভোগান্তি আর থাকবে না।
রেজওয়ানুল হক আরও বলেন, এনওসির মেয়াদ বাড়ায় এখন জাহাজে করে মুঠোফোন আমদানি করা সম্ভব হবে। এতে আমদানি খরচ কমে আসবে, এর ফলে মুঠোফোনের দামও কমবে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

অর্থনীতি এর অারো খবর