বার্ধক্য মোকাবেলায় শরীরে তারুণ্যের রক্ত!
বার্ধক্য মোকাবেলায় শরীরে তারুণ্যের রক্ত!
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০১-২১ ০১:৪৩:১৬
প্রিন্টঅ-অ+


সবসময় তরুণ থাকতে কে না চায়। আর তাই নানা ধরনের গবেষণা চলছে বার্ধক্য দূর করে তারুণ্য ফিরিয়ে আনতে। সাম্প্রতিক এ ধরনের একটি গবেষণাকে তো বলা যায় বিস্ময়কর।

শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে তারুণ্যের রক্ত প্রবেশ করানোটা বার্ধক্যে যুদ্ধে সাহায্য করবে- এমনটা বাস্তবে হতে পারে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষক। এবং এটা প্রমাণ করার জন্য তিনি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও শুরু করেছেন।

জেসি কারমাজিন নামক এই মেডিকেল গ্রাজ্যুয়েট এজন্য অ্যামব্রোসিয়া নামক একটি স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। তারা বয়স্ককের অফার করছেন ১৬-২৫ বছর বয়সী ডোনারদের কাছ থেকে শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ১.৫ লিটার প্লাজমা গ্রহণের জন্য। বিনিময়ে ৮ হাজার ডলার দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বয়স্কদের শরীরে দেড় লিটার তরুণ রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে তারা পরীক্ষামূলক এই গবেষণা শুরু করছেন।

বিষয়টি যদিও ভয়ংকর শোনাচ্ছে কিন্তু বার্ধক্য বিষয়ে কাজ করা জাতীয় ইনস্টিটিউটের এই সাবেক ইন্টার্ন এর আগে এ ধরনের বেশ কিছু সম্পাদিত পদ্ধতি দেখেছেন এবং তার বিশ্বাস তারুণ্যের রক্ত খুবই কার্যকরী ওষুধ হিসেবে এক্ষেত্রে কাজ করতে পারে।

বিজনেস ইনসাইডারকে তিনি বলেন, ‘কিছু রোগীর শরীরে তরুণ রক্ত এবং কিছু রোগীর শরীরে পুরোনো রক্ত ব্যবহার করা হয়েছে- এ ধরনের বেশ কিছু ক্ষেত্রের তথ্য আমি পর্যালোচনা করে দেখেছি এবং এর ফলাফল সত্যিই বিস্ময়জনক। তাই ভাবলাম, এ ধরনের পদ্ধতি নিয়ে আমার নিজের গবেষণা চালানো উচিত।’

এখন পর্যন্ত সর্ম্পূণভাবে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ নেই যে, তরুণ রক্ত ব্যবহারের স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে কিন্তু কারমাজিন আশা প্রকাশ করেছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার ৬০০ মানুষের ওপর চালানো তার এই পরীক্ষামূলক চেষ্টার মাধ্যমে তার প্রমাণ মিলবে।

এই বিজ্ঞানী বলেন, এ পর্যন্ত তরুণ রক্ত সঞ্চালনের যে কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়েছে, সেখানে তিনি বয়স্কের চেহারা উন্নত হওয়া, পেশী উন্নত হওয়া সহ শারীরিক বিভিন্ন উন্নয়নের দেখা পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র: মেট্রো

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বাস্থ্য এর অারো খবর