রুয়েটে তিন বিভাগ শিক্ষার্থী শূন্য
রুয়েটে তিন বিভাগ শিক্ষার্থী শূন্য
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৭-০১-০৫ ১২:১৭:০৩
প্রিন্টঅ-অ+


রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ২৬ অক্টোবর। পরীক্ষা দিয়েছিল প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ২ হাজার ৫০০জন। এ পর্যন্ত ১৪টি বিভাগের মধ্যে তিনটি বিভাগে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হননি।

বিভাগ তিনটি হচ্ছে গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং (জিসিই), আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (ইউআরপি) ও ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (এমএসই) বিভাগ। এই তিন বিভাগে আসন রয়েছে ৯০টি।

আর পাঁচটি বিভাগের সব আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। এই বিভাগগুলো হচ্ছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিই), ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগ।

বাকি ছয়টি বিভাগের মধ্যে ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগে ৬০টি আসনের মধ্যে ৫০টি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং(আইপিই) বিভাগের ৬০টি মধ্যে ২৯টি, ম্যাকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (এমটিই) বিভাগের ৩০টির মধ্যে ৩টি, বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট (বিইসিএম) বিভাগে ৩০টির মধ্যে ২৯টি, আর্কিটেকচার বিভাগের ৩০টির মধ্যে ২৬টি ও কেমিক্যাল অ্যান্ড ফুড প্রসেসিং ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএফপিই) বিভাগের ৩০টি আসনের মধ্যে ২৪টি এখনো ফাঁকা রয়েছে।

অথচ ক্লাস শুরু হওয়ার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে ১৪ জানুয়ারি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রুয়েটের উপাচার্য রফিকুল আলম বেগ বলেন, রুয়েটের ৫২ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এখন কী করা হবে, আসনগুলো কি ফাঁকাই থাকবে, নাকি যাঁরা ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাঁদের ভেতর থেকে টানা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের। সপ্তাহখানেক পরে এই কাউন্সিলের বৈঠক রয়েছে। সেখানে এই বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে থাকবে। যা সিদ্ধান্ত হয়, সেই অনুযায়ী চলতে হবে।

কেন এমন হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কিন্তু ভর্তির সময় সবাই আসেনি। যাঁরা ভালো করে, সবখানেই ভালো করে। তারা হয়তো অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে গেছে। তিনি বলেন, পরীক্ষাগুলো প্রায় একই সময়ে হয়েছে। এটাও একটা কারণ। তবে পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা নিতে গেলে হয়তো সারা বছর ধরে ভর্তি পরীক্ষাই নিতে হবে।

পড়াশোনার মান কমে যাওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানের ব্যাপারটা হয়তো ঠিক আছে। তবে শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ পাচ্ছে ঠিকই কিন্তু পদ্ধতিগত কারণে কিছু ঘাটতি নিয়েই পাচ্ছে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

শিক্ষা এর অারো খবর