শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের
শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৬-১২-২৬ ১৩:৫৯:২০
প্রিন্টঅ-অ+


নিউজিল্যান্ডের মাটিতে-কন্ডিশনে কিউইরা প্রশ্নাতীতভাবে শক্তিশালী দল। বাংলাদেশ দল টিম টাইগার্সদের নিউজিল্যান্ড সফর কঠিন হবে-এ কথাটিও সবাই জানতো। আর দিনের শেষে এ দুটি সত্যের একটিরও নড়চড় হয়নি ক্রাইস্টচার্চে। টসে হেরে দিনের এবং সফরের শুরু।

বাংলাদেশের বোলারদের থেকে পাওয়া বক্সিং ডে’র উপহার ষোলো আনা কাজে লাগিয়ে কিউইরা গড়ে নেয় রানের পাহাড়। সেই পাহাড়ের নিচে দাঁড়িয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করেছেন টিম টাইগার্স দলের কয়েকজন বোলার। কিন্তু পারেননি।

অথচ নিউজিল্যান্ড সফরের প্রস্তুতিটা ঠিকমতোই নেওয়া হয়েছিল। কোটি টাকায় কন্ডিশনিং ক্যাম্প করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। ২৬ ডিসেম্বর ক্রাইস্টচার্চে প্রথম খেলা হলেও দলকে ১৯ ডিসেম্বর উড়িয়ে আনা হয়েছে নিউজিল্যান্ডে। এরপরও শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। বোলারদের খরচে, উদারতায়, প্রতিপক্ষ যখন ৩৪১ রান করে বসে। তখনও আশাবাদী সমর্থকরা হাল ছাড়েননি। ওরা পারলে আমরা পারবো না কেনও! কিন্তু ৩৪১’এর বিরুদ্ধে শুরুটা যেভাবে করা দরকার ছিল তা করতে পারেনি বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একমাত্র সেঞ্ছুরিয়ান ইমরুল কায়সে নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। ২১ বলে ১৬ রান করে বিদায় হন ইমরুল। তার জায়গায় বড় প্রত্যাশার বাহক সৌম্য এসেও নিজের আর দলের টালিতে যোগ করেন মাত্র এক রান। হাঁস মার্কা হয়ে ফিরে যান আরেক প্রত্যাশার বাহক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অনর্থক নিশামকে তুলে মারতে গিয়ে স্যান্টনারের ক্যাচ হয়ে তামিম যখন ফিরলেন, ক্রাইস্টচার্চের আকাশে তখন রোদ হাসলেও মেঘে ঢেকে যায় বাংলাদেশ সমর্থকদের মনের আকাশ! তামিম ফিরে যাওয়ার পরও দলের হারের ব্যবধান কমানোর কাজ ঠিকমতো করে যাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। এদিন তিন উইকেট পাওয়া সাকিব যখন দেখেশুনে চার-ছক্কা মেরে যাচ্ছিলেন, তখন গ্যালারির অল্পস্বল্প বাংলাদেশি দর্শকদের ‘ইশরে ইশরে’ ফিশফিশানি আরও বেড়েছে। ‘ইশরে সৌম্য যদি একটু রান দিয়ে যেতো’- ‘ইশরে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যদি এভাবে আউট না হতো’!

এরপর মুশফিক জুটি গড়ার চেষ্টা করেন সাব্বিরকে নিয়ে। বড় আশার বিগ হিটার সাব্বির একটি ছক্কা হাঁকিয়ে নামের পাশে যোগ করেছিলেন ১০ বলে ১৬ রান। কিন্তু ১১তম বলটা মারতে গিয়ে দিলেন ক্যাচ! সাব্বির যাওয়ার পর তরুণ মোসাদ্দেককে নিয়ে দলের হাল ধরেন মুশফিক। ৪৮ বলে ৪২ করে আহত হয়ে ফিরে যান টেস্ট অধিনায়ক। অপর প্রান্ত তখন ধীরেসুস্থে খেলে যান তরুণ মোসাদ্দেক ওরফে সৈকত। মুশফিক শুশ্রুষা নিতে ড্রেসিং রুমে যাওয়ার পর তার জায়গায় মোসাদ্দেককে সঙ্গ দিতে আসেন ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। তিনটি চারের মারসহ ১০ বলে তিনি করেন ১৪। এরপরই আউট। মাশরাফি চলে যাওয়ার পর দলের উদীয়মান নতুন প্রতিভা অলরাউন্ডার মোসাদ্দেককে সঙ্গ দিতে আসেন ব্যাটিং-এ অনভ্যস্ত পেস বোলার তাসকিন। তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই আরও ধীরগতির হয়ে যায় রানের চাকা! ১২ পেরিয়ে যায় আস্কিং রানরেট। এরপর মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ার সেরা ৫০ রানও হয়। যদিও তার এই রান হারের ব্যবধান কমায় মাত্র।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ক্রীড়া এর অারো খবর