খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৬-১১-১৭ ১৮:২৫:১০
প্রিন্টঅ-অ+


মিথ্যা তথ্য দিয়ে ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালন করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম এ পরোয়ানা জারি করেন। আদালত একইসঙ্গে খালেদা জিয়ার গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০১৭ সালের ২ মার্চ দিন ধার্য করেছে।

গত ৩০ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই দিন বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরের জন্য সমন জারি করেছিলেন।

১৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে সমনের জবাব দেয়ার কথা ছিল খালেদা জিয়ার। কিন্তু তিনি সেদিন হাজির হননি। পরে বাদী গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানালে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করে গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশের জন্য ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। ওইদিন এ বিষয়ে আদেশ না দিয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। সে অনুযায়ী এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হল।

বিভিন্ন মাধ্যমে তার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট জন্মদিন পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীর দিন জাতীয় শোক দিবসে আনন্দ-উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন। শুধু বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্নের জন্য তিনি জন্মদিন পালন করেন।

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ১৫ আগস্ট থেকে জাতীয় শোক দিবসে ইচ্ছাকৃতভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া জন্মদিনের ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তা পালন করছেন খালেদা জিয়া। এ অনুষ্ঠানে ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে নানা রকম কুৎসা, বানোয়াট গল্প প্রচার ও গুজবের মাধ্যমে সম্মানহানি ঘটানো হয়। এভাবে কুরুচিকর বক্তব্যের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করাসহ স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে আনন্দ-উল্লাস করে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, যা পৃথিবীর ইতিহাসে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আইন, রাষ্ট্র ও সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ড।

মামলার আর্জিতে আরো বলা হয়, খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালের ২২ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাক ও ১৯৯৭ সালের ২৭ আগস্ট দৈনিক সংবাদে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। সেখানে লেখা হয়, খালেদা জিয়ার অকৃতকার্য এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট অনুসারে জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকায় খালেদা জিয়ার জীবনী প্রকাশ করা হয়। সেখানে লেখা হয়, তাঁর জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট। এ ছাড়া খালেদা জিয়ার কাবিননামায় জন্মদিন উল্লেখ করা হয় ১৯৪৪ সালের ৯ আগস্ট এবং সর্বশেষ ২০১১ সালের তাঁর মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে জন্মদিন উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

আইন ও অধিকার এর অারো খবর