ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে চা বিক্রি করেন এই নারী!
ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে চা বিক্রি করেন এই নারী!
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৬-১১-০২ ০৪:৩০:৩৭
প্রিন্টঅ-অ+


ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনা করে অস্ট্রেলিয়ায় মোটা টাকার চাকরি ছেড়ে তিনি এখন চা বিক্রি করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘চা-ওয়ালা যদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন তাহলে এনআরআই ইঞ্জিনিয়ার কেন চা-ওয়ালা হবেন না?

মধুর মালহোত্রা; ৩৩ বছরের এই নারীর চায়ের দোকান চলছে রমরমিয়ে।

কিন্তু কিভাবে শুরু হল মধুর মালহোত্রার চায়ের ব্যবসা?

আইটি ও কমিউনেশন ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স ডিগ্রি শেষ করে চাকরি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া চলে যান ভারতের ভোপালের শিবাজি নগরের বাসিন্দা মধুর। সেখানে মোটা টাকা রোজগার করলেও দেশে বয়স্ক বাবা-মার একা থাকা নিয়ে চিন্তায় থাকতেন তিনি। প্রথমে পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দিলেও তা ভালো লাগছিলো না। অন্যরকম কিছু করার ভাবনা থেকেই মাথায় আসে চায়ের স্টলের কথা।

বন্ধু শেলি জরজের সঙ্গে একদিন দোকানে চা খেতে গিয়ে মধুর আবিস্কার করেন যে চায়ের দোকানের পরিবেশ খুবই অস্বাস্থ্যকর। সিগারেটের ধোঁয়ায় চারদিক আচ্ছন্ন। যিনি চা তৈরি করছেন, বারবার তাঁর নোংরা হাট পানি ও দুধের বালতিতে চুবাচ্ছেন। তখনই অন্যরকম একটা চায়ের দোকান খোলার চিন্তা তাঁদের মাথায় ঢোকে। তৈরি হয় মধুর ও শেলির মিলিত পরিশ্রম ও বিনিয়োগের ফল ‘চায়ে ৩৪’।

এখানে খোলা আকাশের নিচে এদিক-ওদিক ছড়ানো কাঠের গুঁড়ির টুলে মাটির ভাঁড়ে চা পরিবেশন করা হয়। ২২ রকমের চা পাওয়া যায় এখানে। চায়ের মান অত্যন্ত ভালো থাকায় সারা বছর খদ্দেরের অভাব হয় না। তবে প্রথমদিকে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয়েছে মধুর ও শেলিকে। কর্মচারি নিয়োগ করতে না পারায়, নিজেদের হাতেই চা তৈরি করতেন তাঁরা। অবশেষে ভোপাল শহরে এখন ইয়াং জেনারেশনের সবচেয়ে পছন্দের হ্যাং আউটের যায়গা ‘চায়ে ৩৪’।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ফিচার এর অারো খবর