আইইবিতে প্রকৌশলী পরিবারের কৃতি সন্তানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
আইইবিতে প্রকৌশলী পরিবারের কৃতি সন্তানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার
২০১৬-১০-২৫ ০১:২৯:৪৮
প্রিন্টঅ-অ+


ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন, বাংলাদেশ(আইইবি) ঢাকা কেন্দ্রের উদ্যোগে আজ ২৪ অক্টোবর সোমবার বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিটে আইইবি মিলনায়তনে প্রকৌশলী পরিবারের কৃতি সন্তানদের উদ্দেশ্যে একটি আড়ম্বরপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আইইবি’র সম্মানিত সদস্যগনের সন্তানদের মধ্যে যারা ২০১৫ শিক্ষাবর্ষের পিএসসি, জেএসসি এবং ২০১৬ শিক্ষাবর্ষের এসএসসি, এইচএসসি, ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদেরকে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট প্রদান করে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ, এমপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইবি সভাপতি প্রকৌশলী কবির আহমেদ ভূঞা এবং আইইবি’র সম্মানী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ আব্দুস সবুর। যদিও অনিবার্য কারনবশত তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেন নি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মেসবাহুর রহমান টুটুল এবং এর সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সম্মানী সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশিদ চৌধুরী (মাসুদ)।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের উপর নির্মিত একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এরপর বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, “আপনাদের এই অনুষ্ঠানে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজকে যাদেরকে কেন্দ্র করে এই আয়োজন তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, তোমাদের মত মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতেই আমাদের বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ। তোমাদের কিন্তু অনেক দায়বদ্ধতা কারন তোমরা প্রকৌশলী পরিবারের সন্তান। তোমাদের পিতামাতা তাদের মেধা আর শ্রমের বিনিময়েই কিন্তু আজ প্রকৌশলী হিসেবে দেশ ও সমাজের সেবা করে যাচ্ছেন। তাই, তাদের এই ত্যাগকে শ্রদ্ধা করে তোমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে যাতে তোমারা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নে দেখা সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারো”।
তিনি আরও বলেন, “দেশে শিক্ষার হার বাড়াতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। বর্তমানে দেশে ১৬ হাজার ৮৭ টি স্কুল এবং ২ হাজার ৩৬৩ টি কলেজ এমপিও সুবিধা পাচ্ছে। এছাড়াও ২৭ হাজার ৫৫৮ টি মাদ্রাসা, কারগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার জন্য তালিকাভুক্ত হচ্ছে। এছাড়াও উচ্চ শিক্ষা খাতে এতদিন আমাদের মেয়েদের অংশগ্রহণ ছিল খুবই কম কিন্তু বর্তমানে এর হার প্রায় ৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে। সারা বিশ্বের কাছে এটি একটি আশ্চর্যজনক ব্যাপার যেয়ে বছরের শুরুতেই আমরা আমাদের বাচ্চাদের হাতে এত বিপুল পরিমাণ বই বিনামূল্যে বিতরণ করতে সক্ষম হচ্ছি। এই বছরই আমরা প্রায় ৩৩ কোটি ৩৭ লাখ বই সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করতে পেরেছি”।
এরপর মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রকৌশলী পরিবারের কৃতি সন্তানদের হাতে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন।
এরপর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রকৌশলী মেসবাহুর রহমান টুটুল। তিনি বলেন, “আজকের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমরা ৫ শতাধিক প্রকৌশলী পরিবারের প্রায় ২ হাজার কৃতি সন্তানদের পুরস্কৃত করছি। আমি আশা করি আমাদের এই কৃতি সন্তানদের নেতৃত্বেই আমাদের দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে”।
তিনি আরও বলেন, “জননেত্রি শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবার যে রূপকল্প হাতে নিয়েছেন সে মোতাবেক দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর অন্তত ৩০ শতাংশকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। আমার আশাবাদ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আমাদের তরুণ সমাজকে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবেন”।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

প্রকৌশল সংবাদ এর অারো খবর