ক্যাডার ও নন-ক্যাডারদের বৈষম্য দূরের দাবিতে বাসসকপ-এর মানববন্ধন
ক্যাডার ও নন-ক্যাডারদের বৈষম্য দূরের দাবিতে বাসসকপ-এর মানববন্ধন
সংগীতা ঘোষ
২০১৫-১১-২৮ ০৮:৩৭:৫৯
প্রিন্টঅ-অ+


অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বহাল রাখা এবং নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক বেতন বৈষম্যের চক্রান্ত (৯ম গ্রেডে ও ৮ম গ্রেডে) মর্যাদা ও পদোন্নতিতে প্রতিবন্ধকতা নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনায় শনিবার (২৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদ (বাসসকপ)।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মো. শফিউল আজম বলেন, ৮ম জাতীয় বেতন স্কেলে ক্যাডার সার্ভিসের এন্ট্রি পদে ৮ম গ্রেড এবং নন-ক্যাডার প্রকৌশলীদের জন্য ৯ম গ্রেড প্রদানের এক বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে সরকারি সংস্থায় কর্মরত ( প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ নন-ক্যাডারে কর্মরত) প্রকৌশলীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

বাসসকপ-এর সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ বলেন, দেশের প্রায় অর্ধ শতাধিক প্রকৌশল সংস্থার মধ্যে মাত্র পাঁচটি সংস্থা ক্যাডার সার্ভিসভুক্ত। অনেক প্রকৌশল বিভাগের যেমনঃ ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, কেমিক্যাল, কৃষি প্রকৌশল, টেক্সটাইল ও কম্পিউটার প্রকৌশলীদের জন্য কোন ক্যাডার সার্ভিস না থাকার কারনে এসব মেধাবী প্রকৌশলীগণ নন-ক্যাডার সার্ভিসে কর্মরত।

এমতাবস্থায়, ক্যাডার ও নন-ক্যাডার সার্ভিসের প্রকৌশলীদের মধ্যে এন্ট্রি পদে বেতনের অযৌক্তিক বৈষম্য সৃষ্টি হলে এসব রাষ্ট্রীয় জনগুরুত্বপূর্ণ চাকুরীতে মেধাবী প্রকৌশলীদের ধরে রাখা সম্ভব হবে না।

প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, একই যোগ্যতা এবং সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে চাকরিতে যোগদান করেও বেতন ও অন্যান্য সুবিধার বেলায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন শুধু নন-ক্যাডার চাকরিজীবীরা। এসব বৈষম্য অবিলম্বে দূর করতে হবে।

সংগঠনের মহাসচিব জিন্নাত আলী বিশ্বাস বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ঘোষিত পে-স্কেলেও ক্যাডার এবং নন-ক্যাডারদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য সমস্যা সমাধানের কোনো স্পষ্টতা নেই। এতে সমস্যার সমাধান না করে একই বেতন ধাপে চাকরি জীবন শেষ করে অবসরে যেতে বাধ্য হবেন নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা।

বাসসকপ-এর দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করা, সর্বস্তরে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল প্রথা আগের মতো বহাল রাখা এবং নন-ক্যাডারদের ১৬টি বিভাগকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত বাতিল করা।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন, দি ইঞ্জিনিয়ার্স সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ তাজুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলন এবং মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এলজিইডি), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ওয়াসা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বিএডিসি, পেট্রো বাংলা, বিসিআইসি সহ প্রায় ৫০টি প্রকৌশল সংস্থা।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর