তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে খুবই আশাবাদী বাংলাদেশ
তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে খুবই আশাবাদী বাংলাদেশ
স্টাফ রিপোর্টার
২০১৬-১০-১৭ ১২:০৬:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+


তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ খুবই আশাবাদী। গতকাল রোববার রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এই আশাবাদের কথা জানান পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে আসবেন কি না, সে বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ব্রিকস-বিমসটেক আউটরিচ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গতকাল ভারতের গোয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের আগে সম্মেলনে ভাষণ দেন শেখ হাসিনা।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়। আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে এ আলোচনায় নানা প্রসঙ্গ উঠে আসে বলে জানান শহীদুল হক ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। তাঁরা জানান, তিস্তা প্রসঙ্গ বিস্তারিতভাবে এ আলোচনায় না উঠলেও সম্পর্কের গতিবিধিতে এ বিষয়ে আশাবাদী হওয়াই যায়।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘আমাদের আশাবাদী হওয়ার অনেক কারণ আছে। এ নিয়ে আরও কথা হবে।’ তিনি অবশ্য এ প্রসঙ্গে এ কথাও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরবর্তী ভারত সফরের সঙ্গে তিস্তা সম্পর্কযুক্ত নয়। তিস্তা কখনোই পরবর্তী সফরের শর্তও নয়। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নিরিখে বিষয়টিকে সেভাবে দেখা ভুল হবে। তবে আমরা আশাবাদী, বিষয়টির মীমাংসা ঠিক সময়েই হয়ে যাবে।’

সার্কের প্রসঙ্গটিও এ আলোচনায় ওঠে বলে জানান শহীদুল হক। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়াটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। সার্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও দুই নেতার কথা হয়েছে।

বিমসটেক ভবিষ্যতে সার্কের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে কি না, জানতে চাইলে শহীদুল হক বলেন, ‘নেতারাই তা বলতে পারবেন।’

আধা ঘণ্টার এ আলোচনা খুব সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয় বলে জানানো হয়েছে। শহীদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। কীভাবে তিনি সন্ত্রাসের মোকাবিলা করছেন তা বিস্তারিত জানতে চান। শেখ হাসিনা তাঁকে বলেন, সে জন্য তাঁর সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। ধর্মীয় নেতাদের সাহায্য নিচ্ছেন, ছাত্র-যুবা ও তাঁদের অভিভাবকদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে, সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। শেখ হাসিনা আবারও মোদিকে আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশের জমিতে তিনি কোনো রকমের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে দেবেন না। শহীদুল হক জানান, শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি দুজনই মনে করেন, দুই দেশের নেতাদের মধ্যে আরও ঘনঘন সফরের আয়োজন করা উচিত। সে জন্য প্রটোকলের বাইরেও যদি যাওয়ার দরকার পড়ে, তাহলে তা-ও করা দরকার।




ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর