ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ পাঁচ সাক্ষাতে চারবারই জয়ী টাইগাররা
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ পাঁচ সাক্ষাতে চারবারই জয়ী টাইগাররা
২০১৬-১০-১০ ০৩:৪১:৩৩
প্রিন্টঅ-অ+


ইংল্যান্ডকে পেলেও জ্বলে ওঠে বাংলাদেশ। অন্তত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান এটাই চলছে। ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজাত দেশটিকে সর্বশেষ চার সাক্ষাতে তিনবারই হারায় টাইগাররা। রেকর্ডটিকে আর একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন সাকিব-ইমরুলরা।


দুদলের ১৮ সাক্ষাতে ১৪বার জিতেছে ইংল্যান্ড। তবে শেষ পাঁচ সাক্ষাতে চারবারই জয়ী দলটির নাম বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা শেষের দিক এসে খেই হারিয়ে না ফেললে রবিবারই সিরিজ জিতে নিতে পারতো বাংলাদেশ।

এখন সিরিজ জয়ের জন্য চট্টগ্রামের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সবাইকে। রবিবার ব্যাটিংয়ে সংগ্রহটা খুব বড় না হলেও মাশরাফি-সাকিব-তাসকিনের অসাধারণ বোলিংয়ে ইংলিশদের বিপক্ষে ৩৪ রানের জয় পায় টাইগাররা।

প্রথমে ব্যাটিং করে মাহমুদউল্লার ৭৫, মাশরাফির ৪৪ রানে ভর করে ২৩৮ রানের ভদ্রস্থ সংগ্রহ দাঁড় করায় টাইগাররা। জবাবে মাশরাফি-তাসকিনের গতির গোলার সামনে ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশটির বিপক্ষে ওয়ানডেতে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ জয়।

২০১০ সালে ১০ জুলাই ব্রিস্টলের কাউন্টি গ্রাউন্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বপ্রথম জয় পায় বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ২৩৭ রানের টার্গেট দেয় ইংলিশদের। ইমরুল কায়েস ৭৬ আর জহুরুল ইসলাম করেন ৪০ রান। জবাবে জনাথন ট্রট ৯৫ রান করলেও ২৩১ রানের বেশি করতে পারেনি ইংল্যান্ড।

ফলে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মত ইংলিশদের বিপক্ষে ৫ রানে জয় পায় লাল-সবুজের বাংলাদেশ।

পরের জয়টা আসে ২০১১ সালের ১১ মার্চ। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে হেরে ট্রট আর মরগানের অর্ধশতকেও ২২৫ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।

টাইগারদের হয়ে সেই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেন নাঈম ইসলাম, আবদুর রাজ্জাক ও সাকিব আল হাসান।

২২৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ৪৯ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। ইমরুল কায়েস ৬০, তামিম ইকবাল ৩৮ আর শেষের দিক হঠাৎ ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠা শফিউল হক করেন ২৪ রান।

ইংলিশদের বিপক্ষে টাইগারদের তৃতীয় জয়টাও বিশ্বকাপে। ২০১৫ সালের ৯ মার্চ। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডের ওভালে মাহমুদউল্লাহর ১০৩ আর মুশফিকুর রহিমের ৮৯ রানের জবাবে ২৭৬ রানের বড় সংগ্রহ দাড় করায় বাংলাদেশ।

ইয়ান বেল ৬৩, জস বাটলার ৬৫ আর ক্রিস উকস ৪২ রান করলেও ১৫ রানের হার এড়াতে পারেননি।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ক্রীড়া এর অারো খবর