পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
সংগীতা ঘোষ
২০১৫-১১-২৬ ১১:৪০:১৪
প্রিন্টঅ-অ+


পলিটেকনিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বিএসসি ডিগ্রী অর্জনের সুবিধার্থে ন্যূনতম প্রতি বিভাগে একটি একটি করে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের সংকট নিরসনে ৬ দফা দাবি সম্মিলিত একটি স্মারকলিপি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর পেশ করা হয়েছে।

২৬ নভেম্বর ২০১৫ সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পলিটেকনিক ইনিস্টিউটের শিক্ষার্থীরা এ সমাবেশের আয়োজন করে।

পলিটেকনিক ইনিস্টিউটের শিক্ষার্থীদের সংগঠন জাতীয় সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রাজিবুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই। সেই ধারণা থেকেই ১৯৫৫ সালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের মাধ্যমে আমাদের দেশে পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের যাত্রা শুরু হয়। এরপর সময়ের প্রয়োজনে বাড়তে থাকে পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের সংখ্যা। ১৯৭৭-৭৮ সালে তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য পৃথক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

তিনি বলেন, ডুয়েট যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট ছিলো মাত্র ১৯ টি। কিন্তু বর্তমানে দেশে ৪৯ টি সরকারি ও ৪ শতাধিক বেসরকারি পলিটেকনিকাল ইনিস্টিটিউট রয়েছে। কাজেই সেই সময়ের বিবেচনাতেও এখন বিএসসি প্রদান করার মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কমপক্ষে ১০ গুন বৃদ্ধি করা উচিৎ।

তিনি দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কারিগরি শিক্ষার বিস্তৃতি এবং মানোন্নয়নে অবিলম্বে তাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

পলিটেকনিক ইনিস্টিউটের শিক্ষার্থীদের সংগঠন জাতীয় সংগ্রাম কমিটির ছয় দফা দাবিগুলো হচ্ছে-
১/ পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিএসসি ডিগ্রী অর্জনের সুবিধার্থে ন্যূনতম প্রতি বিভাগে একটি করে ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা।
২/ অবিলম্বে পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউট সমূহে শিক্ষক সংকট নিরসন করা।
৩/ অবিলম্বে আবাসন-পরিবহন-ক্লাশরুম সংকট নিরসন করা।
৪/ ল্যাবরেটরী ও লাইব্রেরীতে পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও বইয়ের সরবরাহ।
৫/ যুগোপযোগী সিলেবাস।
৬/ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট (ট্রেনিং)-এ সম্মানজনক ভাতা।

জাতীয় সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রাজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এ স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপসস্থিত ছিলেন, ডঃ সাব্বির মোস্তফা খান, রাজেকুজ্জামান রতন, প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, প্রকৌশলী খন্দকার মইনুর রহমান প্রমুখ।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

শিক্ষা এর অারো খবর