বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য
স্টাফ রিপোর্টার
২০১৬-১০-০৪ ০৪:৫৯:৫৯
প্রিন্টঅ-অ+




জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এ জন্য জাপানের বিনিয়োগকারীরা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নয়নপুরে ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য জমি নির্বাচন করেছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে বিইজেডএর পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদিত হয়েছে।

জাতীয় সংসদ কাজে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আজ সোমবার সংসদের প্রশ্নোত্তরে এ কথা বলেছেন।

এম আবদুল লতিফের এ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জাপানের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী। বিনিয়োগের বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকালে যে সমঝোতা সই হয়েছে, তার আওতায় একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। জাপানের বিনিয়োগকারীরা প্রথম পর্যায়ে অন্তত একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবে। জাপান ছাড়া চীন ও ভারত বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

প্রশ্নোত্তরপর্বের আগে বিকেল পাঁচটার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের প্রশ্নের জবাবে সংসদ কাজে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক সীমানা নির্ধারণ শেষ হলে সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারণ করবে। এরপর কমিশন সে অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেন, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় যুবসমাজের বেকারত্ব দূর করতে মোট ১ লাখ ১১ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ৭৮২ জনকে জাতি গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়েছে।

লুৎফা তাহেরের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় খেলার মানোন্নয়নে মিনি স্টেডিয়াম অবকাঠামো নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

এম আবদুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঢাকা শহরে বর্তমানে শতভাগ পয়োনিষ্কাশন সিস্টেম নেই। পয়োনিষ্কাশন সেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি পয়োনিষ্কাশন মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। সেই আলোকে ঢাকার চারপাশে কমপক্ষে চারটি পয়োনিষ্কাশন ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

অর্থনীতি এর অারো খবর