বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বের কাছেই উন্নয়নের রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বের কাছেই উন্নয়নের রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
২০১৬-০৯-২৪ ০৪:২৮:৪৬
প্রিন্টঅ-অ+


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ভিক্ষুকের সরদার হয়ে থাকতে চাই না। দেশকে আত্মমর্যাদাশীল করতে হবে। মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য আমাদের যা করতে হবে, তা-ই করা হবে।’ তিনি বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিবসহ আজ সবাই বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দেখছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে এই সংবর্ধনার আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।

প্রবাসীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা যুদ্ধাপরাধীদের এবং বিএনপির টাকায় বিদেশে অপপ্রচার করছে, তাদের জবাব দিতে হবে। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য প্রবাসীদের উদ্যোগী হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

‘আজ বাংলাদেশ পুরোটাই ডিজিটাল’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী। ডিজিটাল বিষয়ে খুব কম জানতেন। এ বিষয়ে তাঁর শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

বিএনপি ও দলটির নেত্রী খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি শুধু খুনিদের গাড়িতে পতাকাই তুলে দেয়নি, তারা যুদ্ধাপরাধীদের পুরস্কার দিয়েছে। আমরা খুনি, অপরাধীদের বিচার করেছি। এবার জঙ্গিদের মদদদাতা এবং মানুষ পোড়ানোর আন্দোলনে হুকুমের আসামিদের বিচার করা হবে।’

শিক্ষা নিয়ে বিএনপি সরকারের উদাসীনতার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়া ছিল ইন্টারমিডিয়েট পাস। ছেলে আইএ পাস করেছে কি না, জানি না। খালেদা জিয়া মেট্রিক পরীক্ষায় মাত্র দুই বিষয়ে পাস করেছিলেন।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। মঞ্চে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।

সন্ধ্যায় অনুষ্ঠান শুরু হলেও দুপুর থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা জড়ো হতে থাকেন। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে অনেকে দু-তিন দিন আগেই নিউইয়র্কে এসে অবস্থান করছিলেন। উপচে পড়া ভিড়ের কারণে রাত নয়টার দিকে অনুষ্ঠানস্থল গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রিয় নেত্রীর সংবর্ধনায় যোগ দিতে না পেরে অনেকে হোটেলের বাইরে আয়োজকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শেষ করে সম্মেলনকক্ষ ত্যাগের পর দুটি গ্রুপের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের ঠেলে হোটেলের বাইরে পাঠানো হলে সেখানেও তারা হট্টগোল অব্যাহত রাখে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

রাজনীতি এর অারো খবর