বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেয়
বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেয়
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৬-০৯-০৪ ২২:২১:৪৫
প্রিন্টঅ-অ+


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেয়। আমরা ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের আবারও বিচারের মুখোমুখি করতে পেরেছি।

রোববার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর ক্রীড়াঙ্গন স্থবির হয়ে পড়ে। সেখান থেকে আমাদের সরকার এটি পুনরুদ্ধার করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্রিকেটে রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে এখন বিশ্ব হিসাব করে চলে। রয়েল বেঙ্গল টাইগার ‘টাইগার’ হিসেবেই আত্মপ্রকাশ করেছে। মাশরাফি, সাকিব, মুশফিকরা বিশ্ব ক্রিকেটে ভালো করছে। কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ বাংলাদেশের জন্য গর্ব বয়ে এনেছে। একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতেবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

তিনি রসিকতা করে বলেন, মেয়েরা ১০ গোল দেয় ছেলেরা পাঁচ গোল খেযে আসে। মেয়েদের ফুটবল টিম খুবই ভালো করছে। তবে ছেলেরা ওতটা ভালো করছে না, তবে ভবিষ্যতে করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুস্থ ছেলেদের চেয়ে প্রতিবন্ধীরা ভালো করছে। তাদের জন্য মাঠ ও যাবতীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে। একটা একাডেমি তৈরির কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামের বেশ কিছু খেলা আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। যেমন ডাংগুলি, গোল্লাছুট ইত্যাদি। বিদ্যালয় পর্যায়ে এগুলো খেললেই তা ফিরে আসবে।

৬ এপ্রিল জাতিসংঘ বিশ্ব স্পোর্টস ডে পালন করে। প্রধানমন্ত্রী এ দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য জাতীয় স্পোর্টস ডে ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালে একসঙ্গে তিন বছরের (২০১০, ২০১১ ও ২০১২) জন্য ৩৪ জনের নাম চূড়ান্ত করা হয়। পরে পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পান ৩৩ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। তাদের মধ্যে জুম্মন লুসাই মারা গেছেন।

২০১০ সালের জন্য মনোনীতরা হলেন- সাঁতার মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার হারুন অর রশিদ ও নায়েক মো. তকবির হোসেন (মরণোত্তর), শুটার আতিকুর রহমান, অ্যাথলেট ফরিদ উদ্দিন খান চৌধুরী, মাহমুদা বেগম ও নেলী জেসমিন, স্পেশাল অলিম্পিকের অ্যাথলেট নিপা বোস, জিমন্যাস্ট দেওয়ান নজরুল ইসলাম, সংগঠক মিজানুর রহমান মানু (সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়শন) ও এএসএম আলী কবির (সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন)।

২০১১ সালের জন্য মনোনীতরা হলেন- ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট, হকির জুম্মন লুসাই (মারা গেছেন), জিমন্যাস্ট রওশন আরা ছবি, বক্সার সার্জেন্ট মো. কাঞ্চন আলী (অব.), কুস্তিগির সুবেদার হাজী আশরাফ আলী, ভলিবল খেলোয়াড় হেলেনা খান ইভা, শরীর গঠনে রবিউল ইসলাম (ফটিক দত্ত), ক্রীড়া সংগঠক শহীদ শেখ কামাল, কুতুবউদ্দিন চৌধুরী আকসির ও আশিকুর রহমান মিকু।

২০১২ সালের জন্য পাঁচজন ফুটবলার, চারজন সংগঠক ও একজন করে অ্যাথলেট, ব্যাডমিন্টন ও হকি খেলোয়াড় রয়েছেন। মনোনীতরা হলেন- ফুটবলার মোহাম্মদ মহসীন, খুরশিদ বাবুল, আশীষ ভদ্র, আবদুল গাফফার, সত্যজিত দাস রুপু, হকি খেলোয়াড় আনম মামুনুর রশিদ, অ্যাথলেট ফিরোজা বেগম, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় নাজিয়া আক্তার যুথি, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, আরচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীবউদ্দিন আহমেদ চপল এবং সালমা রফিক (মরণোত্তর)।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর