চাইনিজ তাইপেকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশ
চাইনিজ তাইপেকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশ
স্টাফ রিপোর্টার
২০১৬-০৯-০৪ ০৪:১৪:৫১
প্রিন্টঅ-অ+


এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ সি’র বাছাইপর্বে শীর্ষস্থান দখলের অঘোষিত ফাইনালে চাইনিজ তাইপেকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশে মেয়েরা। এ জয়ে আগামী বছর হতে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বে উঠে গেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন শামসুন্নাহার। একটি করে গোল করেছেন মার্জিয়া ও কৃষ্ণা রানী সরকার। গ্রুপে আরও একটি ম্যাচ বাকি আছে বাংলাদেশের। সেখানে প্রতিপক্ষ দুর্বল আরব আমিরাত। যদিও ওই ম্যাচ শুধুই আনুষ্ঠানিকতার।
বাংলাদেশ খেলেছে ৪ ম্যাচে। তাদের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ইরান ও তাইপের অর্জন ৯ পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ইরান ও তাইপে। বাংলাদেশ যদি তাদের শেষ ম্যাচে হেরেও যায় নিয়মানুয়ায়ী মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় ফাইনালে যাবে লাল সবুজের দল।
খেলার চার মিনিটে বাংলাদেশ শিবিরে ঢুঁ মেরেছিল চাইনিজ তাইপে। মিডফিল্ডার ইউ ডা লিঙ মাঝমাঠ দিয়ে বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন বাংলাদেশ বক্সে। ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে পেয়েছিলেন গোলরক্ষক মাহমুদাকে। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে দলকে বাঁচান মাহমুদা।

বাংলাদেশ আক্রমণত্মক খেললেও ১১ মিনিটে দ্রুতগতির একটি পাল্টা আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় তাইপে। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একাই এগিয়ে চলেন তাইপে অধিনায়ক সুয়ান ইউ সু। বক্সের ওপর থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে মাহমুদার মাথার ওপর দিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে।

২৫ মিনিটে দশ জনের দলে পরিণত হয় তাইপে। বাংলাদেশ অধিনায়ক কৃষ্ণা রানীকে বক্সের মাঝে ফাউল করেন তাইপে ডিফেন্ডার চেন চিয়াও য়ি। রেফারি তাকে দেখান দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। বাংলাদেশ পায় পেনাল্টি। স্পট কিকে সমতা আনতে ভুল করেননি ডিফেন্ডার শামসুন্নাহার।

বাংলাদেশের আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে। ৩৭ মিনিটে এগিযে যায় লাল সবুজের মেয়েরা। আবারও কৃষ্ণা রানীকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন তাইপে অধিনায়ক সুয়ান ইউ সু। এবারও পেনাল্টি কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় তাইপে গোলরক্ষক টিং ওয়াং ইউকে পরাস্ত করেন শামসুন্নাহার। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে আনুচিং মগিনি দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে লিডটা আরও বড় করতে পারতো বাংলাদেশ।

বিরতির পর কৃষ্ণা রাণী সরকার ৬০ মিনিটে দলের তৃতীয গোল করে স্বপ্ন পুরণের পথে দলকে আরও এগিয়ে দেন। ডানপ্রান্ত থেকে উড়ে এসেছিল একটি ল বল। আনুচিং তা পায়ের মোচড়ে ফেলেন বক্সের মাঝে, কৃষ্ণা তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাম পায়ের প্রচণ্ড ভলিতে করেন দলের তৃতীয় গোলটি।

আর ৭৯ মিনিটে মারজিয়া নিশ্চিত করে দেন বাংলাদেশ এ ম্যাচ হারছে না। সানজিদার কর্নারে গোলমুখে জটলা থেকে তাইপের ডিফেন্ডারদের ক্লিয়ারেন্স গোললাইনের একদম কাছ থেকে তিনি করেন বাংলাদেশের চতুর্থ গোলটি।

বাংলাদেশের ডিফেন্সের ক্লান্তিতে ৮৭ মিনিটে ব্যবধান কমান তাইপে মিডফিল্ডার জৌ ইয়ু ইয়ু, তার ডান পায়ের শট পরাস্ত করে মাহমুদাকে। ইনজুরি টাইমে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার তেঙ লিন পিন। নয়জনের দলে পরিণত হয় তারা

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ক্রীড়া এর অারো খবর