চুয়েটের ১৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত
চুয়েটের ১৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত
ডেস্ক রিপোর্ট
২০১৬-০৯-০২ ১৬:২১:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+


আজ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় ১৪ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটিকে স্মরনীয় করে রাখতে বরাবরের মত একাধিক কর্মসূচী হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আনন্দ র‌্যালী, পতাকা উত্তোলন, ডকুমেন্টেশন উপস্থাপন, আলোচনাসভা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, রক্তদান ও বৃক্ষরূপণ কর্মসূচী প্রভৃতি। এসব অনুষ্ঠানমালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের মাণনীয় সদস্য আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানের সভাপত্বি করেন চুয়েটের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম । অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো: হযরত আলী, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আশুতোষ সাহা, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুল আলম, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো: মোস্তফা কামাল ।
এ উপলক্ষে চুয়েট কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা কমিশনের মাননীয় সদস্য জনাব আবদুল মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে তৈরি করার জন্য রাষ্ট্র দায়িত্ব নিয়েছে। ভালো বীজ আছে, সার আছে কিন্তু যে জমিতে ফসল ফলানো হবে সেটাকে যদি ভালোভাবে কর্ষণ করা না হয় তাহলে ভালো ফসল পাওয়া যাবে না। চুয়েটের ব্যাপারেও তেমন কথা প্রযোজ্য। এখানে আরো আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে বিশ্বমানের হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। চুয়েটের অবকাঠামোগতও আরো উন্নয়ন প্রয়োজন। এজন্য বিভিন্ন উদ্যেগ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে ৩টি বিভাগে ১২০জন ছাত্র নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি) এবং ২০০৩ সালের ১লা সেপ্টেম্বর একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ে (চুয়েট) রূপান্তরিত করা হয়। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি অনুষদের অধীনে ১০ টি বিভাগে স্নাতক এবং ৯ টি বিভাগ ও গবেষণা কেন্দ্রে ¯স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাশ করা প্রকৌশলীরা মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা, মাইক্রোসফট, ইনটেল, গুগল, স্যামসাং, নকিয়া, ওয়ালটনসহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
(সালেহ মাহমুদ স্বাক্ষর)

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

শিক্ষা এর অারো খবর