পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ
পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ
২০১৬-০৭-২৫ ১৫:১৯:৫২
প্রিন্টঅ-অ+


দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর ১টি পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ সড়কের শতভাগ ভাগ কাজ সদ্য শেষ হয়েছে। ২শ’ ১০ কোটি টাকা ব্যয় প্রায় ৪১ কি. মিটার দৈর্ঘ্যরে এ সড়কটির কাজ শুরু করে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার।

পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ সড়ক উন্নয়ন এবং মধুমতি নদীতে শেখ লুৎফর রহমান সেতুর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে বিপুল সংখ্যক জনসাধারণের যাতায়াতের সহজীকরণের লক্ষ্যে এ প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়ন করেছে পিরোজপুর, বাগেরহাট ও গোপালগঞ্জের সড়ক বিভাগ।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পিরোজপুর, বাগেরহাট ও গোপালগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলীগণের কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে পৃথক পৃথক ভাবে সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শেখ লুৎফর রহমান সেতুটির অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে এবং পিরোজপুর-নাজিরপুর-মাটিভাঙ্গা-পাটগাতি অংশের সড়ক প্রশস্ত করে বিটুমিন কার্পেটিং, গার্ডার সেতু ও বক্স কালভার্ট নির্মাণের কাজ শেষ করে সড়কটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলে রব্বে বাসসকে জানান ৪১ কি. মিটার দৈর্ঘ্যরে এ সড়কটির ৮টি গার্ডার সেুত ও ১৫টি কালভার্টের নির্মাণের কাজ করা হয়েছে। এ সব সেতু ও কালভার্টের সংযোগ সড়কের বিটুমিন কার্পেটিং দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ সড়কটির পিরোজপুর অংশের জন্য ১শ’ ৩ কোটি টাকা এবং বাগেরহাট অংশের জন্য ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২শ’ ১০ কোটি টাকা সর্ব মোট ব্যয়ের এ প্রকল্পের ৮৮ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ লুৎফর রহমান সেতুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে এবং টুঙ্গীপাড়ায় সড়ক বিভাগের পরিদর্শন বাংলো নির্মাণ করা হয়েছে।

স্বাধীনতার বছর খানেকের মধ্যে গোপালগঞ্জ-পিরোজপুর সড়কের মাটির কাজ বঙ্গবন্ধু সরকার শুরু করলেও ১৯৭৫-এর বিয়োগান্তক ঘটনার পর দীর্ঘদিনে এ সড়কটির বিটুমিন কার্পেটিং করা হয়নি। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার টুঙ্গীপাড়ার মধুমতি নদীতে সেতু নির্মাণ শুরু করলেও ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়।

চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের জুনে এই সড়কটি সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সব জেলার মানুষ এ সড়ক দিয়ে অনেক কম সময় কম খরচে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে এবং রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য স্থানে যাতায়াত করতে পারবে। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলে গোপালগঞ্জ-পিরোজপুর সড়কটি হয়ে উঠবে দেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। বিভিন্নভাবে উপকৃত হবে এ অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর