বাংলাদেশ ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য ভারত ও ভুটানের সাথে আলোচনা করবে
বাংলাদেশ ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য ভারত ও ভুটানের সাথে আলোচনা করবে
২০১৬-০৭-২৪ ১৭:০৬:০৯
প্রিন্টঅ-অ+


ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় আটটি রাজ্য এবং ভুটানের বাজার দখলের চেষ্টায় বাংলাদেশ অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য তাদের সাথে একটি সমঝোতা করতে যাচ্ছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল দেশ দুটি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করার জন্য এ সপ্তাহের শেষ নাগাদ ভারত ও ভুটান যাচ্ছেন।

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য গত মার্চ মাসের পর থেকে বাংলাদেশ থেকে ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আমদানি করছে। তাবে তাদের চাহিদার তুলনায় এই পরিমাণ খুবই সামান্য।

বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন বাসসকে বলেন, ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ভারত সফরকালে সে দেশের কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ ও আইটি মন্ত্রী, ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের রাষ্ট্র মালিকানাধীন টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি ভারত সঞ্চার নিগাম লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন।

তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে আমরা তাদের (ভারতে) বলবো, যদি তোমরা অন্যান্য রাজ্যের জন্য ব্যান্ডউইথ নিতে চাও, তাহলে আমরা এটি সংরক্ষণ করবো।

ত্রিপুরায় ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করার জন্য বিএসএনএল’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের উল্লেখ করে বিএসসিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, তাদের চাহিদা হিসেবে আমরা ব্যান্ডউইথ সরবরাহের পরিমাণ ৪০ জিবিপিএস পযর্ন্ত বাড়ানো যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, পূর্বাঞ্চলীয় অন্যান্য রাজ্য মেঘালয়, মনিপুর, নাগাচল, মিজোরাম রাজ্যেও ব্যান্ডউইথের চাহিদা রয়েছে।

হোসেন বলেন, আমাদের ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য ভুটানও গুরুত্বপূর্ণ বাজার হতে পারে।

এ বছরের ২৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত দিয়ে ত্রিপুরায় ব্যান্ডউইথ রফতানির উদ্বোধন করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকালে ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য ভারতের রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিএসএনএল এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিএসসিসিএল’র সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী বিএসএনএল এখন ত্রিপুরার জন্য ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাচ্ছে। এতে বাংলাদেশকে বাষির্ক ৯.৬ কোটি টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিএসসিসিএল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পরও ৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ রফতানি করতে সক্ষম। ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথ’র চাহিদা বেড়ে ২১০ জিবিপিএস হতে পারে। বাংলাদেশ আরো ১৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পেতে আগামী জানুয়ারির মধ্যে দ্বিতীয় ভূর্গভস্থ ক্যাবলের সাথে সংযুক্ত হবে।

বাংলাদেশের সাবমেরিন ক্যাবলের স্থায়িত্বকাল পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে শেষ হবে। ফলে ব্যান্ডউইথ রফতানির কোন বিকল্প নেই।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি এর অারো খবর