আজ খিলগাঁও ফ্লাইওভারের বর্ধিতাংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী
আজ খিলগাঁও ফ্লাইওভারের বর্ধিতাংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী
২০১৬-০৬-২৫ ০৩:৪৪:৫২
প্রিন্টঅ-অ+


রাজধানীর খিলগাঁও ফ্লাইওভারের বর্ধিতাংশের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। শনিবার (২৫ জুন) এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খিলগাঁও ফ্লাইওভারের মূল নকশার ‘বর্ধিতাংশ’ বা ‘লুপ’ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলে মালিবাগ রেলগেট থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন যেতে ফ্লাইওভার থেকে নিচে নেমে বাসাবো ইউটার্ন দিয়ে ঘুরে আবার ফ্লাইওভারে গাড়ি ওঠাতে হবে না। কিংবা ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে খিলগাঁও রেলগেট হয়ে যেতে হবে না। লুপটি চালু হলে মাদারটেক, কদমতলী, বাসাবো ও সিপাহীবাগের লোকজন খুব সহজেই রাজারবাগ হয়ে মতিঝিল চলে যেতে পারবেন।

এলজিইডি’র তত্ত্বাবধানে এর নির্মাণ কাজ করেছে বেসরকারি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নাভানা কনস্ট্রাকশন।

চুক্তি অনুসারে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের বর্ধিতাংশের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা সমস্যার কারণে এক বছর বাড়ানো হয়। সে অনুসারে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ছয় মাস অতিরিক্ত সময় লাগছে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে।

অবশ্য মূল কাজ শেষ হয় গত এপ্রিল মাসে। এরপরও দীর্ঘদিন ধরে ফ্লাইওভারের নিচের রাস্তা বন্ধ রয়েছে।
নাভানা কনস্ট্রাকশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার কাজী শামীম আহমেদ বলেন,খিলগাঁও ফ্লাইওভারের লুপ নির্মাণস্থল রেলের ইঞ্জিন পরিবর্তনের কাছে হওয়ায় নির্মাণ কাজে সমস্যা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের বেধে দেওয়া সময়ে কাজ করতে হয়। এছাড়া লুপের শেষ মাথায় শাহজাহানপুর বাজার থাকায় ভারি যন্ত্রপাতি প্রবেশে অনেক সময় লাগতো। এসব কারণে দুই দফায় সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয়েছে।

২০০১ সালের ১৫ জুন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী ঢাকার পূর্বাঞ্চলের যানজটপ্রবণ খিলগাঁও রেলগেটে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ফ্লাইওভার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। বিএনপি আমলে এর কাজ শেষ হয়। তবে এত দিন মাদারটেক, কদমতলী, বাসাবো ও সিপাহীবাগের লোকজন এই ফ্লাইওভারের সুবিধা পাচ্ছিল না। এক দশমিক নয় কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৪ মিটার প্রস্থ এ ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হয় ৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ২০০৫ সালের ২৩ মে ফ্লাইওভারটি উন্মুক্ত করা হয়।

ওই সময় ফ্লাইওভারটির মূল নকশা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত না হওয়ায় ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে ৬২০ মিটার দীর্ঘ বর্ধিতাংশের (লুপ) কাজ শুরু হয়। বর্ধিতাংশ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। নতুন লুপে ২৩টি পিলার ও ২২টি স্ল্যাব (ছাদ) স্থাপন করা হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর