ব ব হল কি?
ব ব হল কি?
২০১৬-০৫-২৫ ০০:২৭:৫৫
প্রিন্টঅ-অ+


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলি দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের নামে। তাঁদের নাম লেখার সময় পুর্ণাঙ্গ নাম ও সঠিক বানান লেখা শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে। তা না হলে তাঁদের প্রতি অশ্রদ্ধা বোঝায়। আমরা কাউকে শ্রদ্ধা করতে না পারি, অশ্রদ্ধা করার অধিকার নাই।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শভিত্তিক একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের নামের ব্যক্তিদের প্রতি অন্যদের তুলনায় ছাত্রলীগের আরও অনেক বেশী শ্রদ্ধাশীল হওয়া বাঞ্ছনীয়। ছাত্রলীগ সে কাজটা মোটেও করে নি, বরং সংক্ষিপ্ত নাম লিখে অশ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে।এ আচরণ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিবর্জিত ।

যাদের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, তাদের মধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবার শীর্ষে । পরম শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় জাতি এ নাম স্মরণ করে ও লালন করে হৃদয়ে। তাঁর নাম সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা তাঁর প্রতি চরম অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা, জাতির জনককে অসম্মান বোঝায়। বিবেক বিবর্জিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্যাডে তাঁর নাম বারবার সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা দেখলে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়।

অনেক মানুষ আছেন যারা কোন রাজনৈতিক দলের নয় কিন্তু হৃদয় দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসেন। এ সংক্ষিপ্ত লেখা নাম তাদেরকেও চরমভাবে ব্যথিত করবে।

যারা বঙ্গবন্ধুকে হলের নামকরণের মধ্য দিয়ে এ স্তরে নিয়ে এসেছেন, সে সব ব্যক্তিদের ভাবা উচিৎ ছিল , যথাযথ মর্যাদায় এ নাম সংরক্ষিত হবে কিনা? এর উত্তর কে দেবে? ভালবাসতে গিয়ে আমরা তাঁকে অসম্মানই করলাম। অতি উৎসাহী হয়ে ভালবাসা আমাদের জাতিগত চরিত্রের সংকট। এর থেকে আমরা কবে বেরিয়ে আসতে পারবো? অনিশ্চিত...

(রাইশা রুমুর স্ট্যাটাসের প্রেক্ষিতে বাহারুল আলম)

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ফেসবুক থেকে এর অারো খবর