প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিলেন যারা
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিলেন যারা
২০১৬-০৫-১২ ০১:৪৩:২৫
প্রিন্টঅ-অ+


জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৪’। বুধবার বিকেল ৪টায় এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আজীবন সম্মাননা পদক গ্রহণ করেন হাসান ইমাম ও রানী সরকার।

চলচ্চিত্র শিল্পের গৌরবোজ্জ্বল ও অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২৬টি ক্ষেত্রে বিশিষ্ট শিল্পী ও কলাকুশলী এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।

গল্প চুরির অভিযোগে এ বছর সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘বৃহন্নলা’ চলচ্চিত্রের পুরস্কার বাতিল হওয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মাসুদ পথিকের ‘নেক্কাবরের মহাপ্রয়াণ’ নির্বাচিত হয় সেরা চলচ্চিত্র।

সেরা কাহিনীকার হয়েছেন ‘মেঘমল্লা’র চলচ্চিত্রের জন্য আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তার মরণোত্তর পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয় তার ভাইয়ের হাতে। একই ছবির জন্য সেরা চিত্রনাট্যকার ও সেরা পরিচালকের পুরস্কার পান জাহিদুর রহিম অঞ্জন।

‘এক কাপ চা’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ফেরদৌস আহমেদ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান ‘তাঁরকাটা’ চলচ্চিত্রের জন্য মৌসুমী ও ‘জোনাকির আলো’ চলচ্চিত্রের জন্য বিদ্যা সিনহা মিম।

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছেন আশরাফ শিশির পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘গাড়িওয়ালা’।

প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ব্যান্ড তারকা জেমস। ‘দেশা দ্য লিডার’ সিনেমায় ‘পতাকাটা খামচাতে কখনো আসে যদি’ গানের জন্য জেমস এই পুরস্কার পান।

শ্রেষ্ঠ গায়িকার পুরস্কার পান (যৌথভাবে) রুনা লায়লা, (প্রিয়া তুমি সুখী হও, গান- কালা অসময়ে বাজাও বাঁশি) ও মমতাজ (নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ, গান-নিশিপক্ষী ও নিশিপক্ষীরে তোর.)। রুনা লায়লার অনুউপস্থিতিতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন নায়ক আলমগীর।।

শ্রেষ্ঠ গীতিকারের পুরস্কার নিলেন মাসুদ পথিক (নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ, গান- নিশিপক্ষী ও নিশিপক্ষীরে তোর)।

শ্রেষ্ঠ সুরকারের পুরস্কার নেন বেলাল খান (নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ, গান- নিশিপক্ষী ও নিশিপক্ষীরে তোর)।

‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ছবির জন্য সেরা সংগীত পরিচালকের পুরস্কার নেন ড. সাইম রানা।

পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার নিয়েছেন ডা. এজাজ ইসলাম (তাঁরকাটা), পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী চিত্রলেখা গুহ (৭১ এর মা জননী), খল চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা তারিক আনাম খান (দেশা দ্য লিডার), কৌতুক চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মিশা সওদাগর (অল্প অল্প প্রেমের গল্প) জন্য পুরস্কার পান।

এছাড়া শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী আবির হোসেন অংকন (বৈষম্য), শিশুশিল্পী শাখায় মারজান হোসাইন জারা (মেঘমল্লার) বিশেষ পুরস্কার পায়।

মোট ২৬টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে গীতিকার, শিশুশিল্পী, কাহিনীকার, সংলাপ রচয়িতা, সুরকার, চিত্রনাট্যকার, নৃত্য পরিচালক, শিল্প নির্দেশক, সম্পাদক, চিত্রগ্রাহক, শব্দগ্রাহক, সাজসজ্জা ও রূপসজ্জাকর।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে দেয়া হয় আঠার ক্যারেট মানের পনের গ্রাম স্বর্ণের একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, একটি সম্মাননাপত্র। একই সঙ্গে ছিলো অর্থ। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ক্ষেত্রে আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা। শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক ও শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজককে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এছাড়া শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালককে ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ত্রিশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিনোদন এর অারো খবর