মরুভূমিতে গোপনে গবেষণা চালাচ্ছে গুগল
মরুভূমিতে গোপনে গবেষণা চালাচ্ছে গুগল
২০১৬-০৫-০৯ ০১:৫৭:১৪
প্রিন্টঅ-অ+


মেক্সিকোর মরুভূমে অনেকটা গোপনে কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছে সার্চ জায়ান্ট গুগল।

বলা হচ্ছে, এটা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সিক্রেট। এমন এক সিক্রেট যার কথা গুগল কাউকে জানাতে চায় না। যেখানে কাজ করছেন দুনিয়ার সেরা বিজ্ঞানী, আইটি বিশেষজ্ঞরা।

তবে, পুরো প্রজেক্ট এবং আসল উদ্দেশ্যর কথা জানেন গুগলের মাত্র হাতে গোনা শীর্ষ কয়েকজন কর্তা।
গুগলের এই সিক্রেট ডেস্টার্ট প্রজেক্টের নাম স্কাইবেন্ডার। অনেক ড্রোন, বিশাল বড় রেডিও ট্রান্সমিটার দিয়ে সে এক বিশাল বড় গবেষণাগার।

প্রতিদিন এই গবেষণার জন্য গুগলের খরচ হচ্ছে হাজার হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৮ সালে শেষ হবে এই প্রজেক্ট। ততদিন পর্যন্ত পুরো প্রজেক্টটা সিক্রেট রাখতে সমস্ত ধরণের উদ্যোগ নিয়েছে গুগল। সাহায্য নেওয়া হয়েছে বিশ্বের বড় বড় গোয়েন্দা সংস্থার।

নিউ মেক্সিকোর স্পেসপোর্টে ১৫ হাজার স্কয়ার ফুটের বিশাল গবেষণাগারটা তৈরি করা হয়েছিল ভার্দিন গ্যালাকটিক স্পেসফ্লাইট প্রোগামের জন্য। সেটাতে এখন চলছে কর্মযজ্ঞ। কিন্তু কী হচ্ছে সেখানে? শুধু জানা গেছে, হাই ভোল্টেজ পাওয়ার এবং নাইট ভিশন ক্যামেরার মত কিছু জিনিসের ব্যবহার করা হচ্ছে সেখানে।

ব্যস, ওটুকুই। আর কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। দাবি করা হচ্ছে, ওই গবেষণাগার থেকে যা ফল পাওয়া যাবে তাতে কয়েক বছরের মধ্যেই ইন্টারনেটের ধারণা বদলে যাবে। গুগল অবশ্য স্পিকটি নট। কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে, কবে হবে- এসব প্রশ্ন এই প্রজেক্টকে নিয়ে করা বারণ। পাছে কেউ জেনে যায়।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি এর অারো খবর