রেজাউল হত্যা: ২ খুনি শনাক্তের দাবি পুলিশের
রেজাউল হত্যা: ২ খুনি শনাক্তের দাবি পুলিশের
২০১৬-০৫-০৩ ০২:৩৫:৪৪
প্রিন্টঅ-অ+


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুইজনকে শনাক্ত করা গেছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

দুইজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ।

এদের একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম বলে জানালেও গ্রেপ্তারের স্বার্থে আরেক জনের নাম জানাননি তিনি।

তিনি বলেন, “শিক্ষক রেজাউল হত্যাকাণ্ডে কোনো ব্যক্তিগত কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। আদর্শিক কারণে মৌলবাদী সংগঠন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।”

এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান অতিরিক্ত কমিশনার তমিজউদ্দীন।

আটক পাঁচ জনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলামের বাবা আব্দুল হাকিম ও ভাই আরিফুল ইসলাম রয়েছেন।

“শরিফুলের সঙ্গে পারিবারের সদস্যদের কোনো যোগাযোগও নেই দাবি করছেন তারা। সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

শরিফুলকে গ্রেপ্তার করা গেলে শিক্ষক হত্যার মোটিভ বেরিয়ে আসবে বলে ধারণ করছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

এ হত্যাকাণ্ডে শরিফুলের বাবা-ভাই ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী হাজিফুর রহমান হাফিজ, মাদ্রাসা ছাত্র খায়রুল ইসলাম, মসজিদের ইমাম রায়হান আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

এদের মধ্যে হাফিজকে চারদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

এদিকে রাবি শিক্ষক হত্যা আটক মাদ্রাসা ছাত্র খায়রুল ইসলাম ও মসজিদের ইমাম রায়হান আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার বিকালে মহানগর হাকিম আদালত-১ এর বিচারক মোকসেদা আজগর তাদের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানান আদালত পুলিশের পরিদর্শক আবু হাসেম।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ তাদের দুইজনকে আদালতে হাজির করে সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন জানায়। সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হয়।

গত ২৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টায় রাজশাহীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাসা থেকে ৫০ গজ দূরে অধ্যাপক রেজাউল করিমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় ওইদিন নগরীর বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা করেন শিক্ষকের ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ। পরে গোয়েন্দা পুলিশকে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

আইন ও অধিকার এর অারো খবর