ব্রেকিং নিউজ বিজয় দিবসে দি ইঞ্জিনিয়ার্স-এর সকল পাঠক-পাঠিকা, গ্রাহক-অনুগ্রাহক, বিজ্ঞাপনদাতা, দেশবাসী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
প্রথম প্রান্তিকে ফেসবুক পরিবার
প্রথম প্রান্তিকে ফেসবুক পরিবার
২০১৬-০৫-০১ ০৪:১৪:৪০
প্রিন্টঅ-অ+


মার্ক জাকারবার্গ কন্যা ম্যাক্স যখন মাতৃগর্ভে তখন এক ফেসবুক পোস্টে তিনি মজা করে লিখেছিলেন, কন্যার মুষ্টিবদ্ধ হাত দেখে মনে হচ্ছে যেন ‘লাইক’ দিচ্ছে। হয়তো সেই হবে ফেসবুকের ভবিষ্যতের কান্ডারি। কন্যা কবে নাগাদ কান্ডারি হবে সে বিষয়ে সংশয় থাকলেও ফেসবুকের নিয়ন্ত্রণ বাবা মার্কের হাতেই থাকছে। সে পরিকল্পনা আজই করে রাখছেন তিনি। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণী এবং ফেসবুক পরিবারের নানা পণ্যের পরিসংখ্যান প্রকাশের সময় এক লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করেন মার্ক জাকারবার্গ। সে বক্তব্যের সারমর্ম, ফেসবুকের শেয়ারহোল্ডাররা না চাইলেও নিয়ন্ত্রণ থাকবে মার্ক জাকারবার্গের হাতেই।

বক্তব্যের শুরুতে মার্ক লিখেছেন, ‘ফেসবুকে আমরা যা করি তা গোটা বিশ্বকে এক সুতোয় বাঁধতেই করি। এই লক্ষ্য সামনে রেখে এগোতে প্রতিষ্ঠানটি সব সময় প্রতিষ্ঠাতার নেতৃত্বেই এগিয়েছে।’ এমন গঠনপ্রণালির জন্যই নাকি ছোটখাটো সব ধাক্কা অবলীলায় কাটিয়ে উঠেছে ফেসবুক। যা একই সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় হিসেবে ফেসবুককে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে। মার্কের কথা অবশ্য ঠিক। ইতিহাসে সবচেয়ে জ্বলজ্বলে উদাহরণ সম্ভবত অ্যাপল ইনকরপোরেটেড। স্টিভ জবসকে যখন নিজের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান থেকে বিতাড়িত করা হলো, তখন নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ যে লক্ষ্য মাথায় রেখে স্টিভ জবস এগিয়েছেন, হুট করে নতুন কেউ এসে তা না-ও ধরতে পারে। মার্ক নিজেই লিখেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কিংবা ইনস্টাগ্রামের মতো নতুন কোনো অ্যাপে বিনিয়োগ করেছি, যার সুফল হয়তো এখন পাওয়া যাবে না, কিন্তু ভবিষ্যতে ব্যবসায়ের ধরন নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।’
কিন্তু কীভাবে মার্কের হাতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে? ফেসবুকের পরিচালনা পর্ষদ নতুন একধরনের শেয়ার বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে, যে শেয়ারহোল্ডাররা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করবেন, লাভ-লোকসানের ভাগীদার হবেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো অধিকার থাকবে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকবে মার্ক এবং তাঁর নেতৃত্বে থাকা পরিচালনা পর্ষদের। আর এভাবেই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী চ্যান জাকারবার্গের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে এবং তাঁদের ফেসবুক শেয়ারের ৯৯ শতাংশ জনস্বার্থে বিলিয়ে দিতে পারবেন।

কারণ হিসেবে মার্ক বলেন, অতীতের চেয়ে বরং ভবিষ্যতেই কঠিন সব সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আজকের ফেসবুকের চেয়ে ভবিষ্যতের ফেসবুকে বেশি আগ্রহী তিনি। আর সে জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চ্যুয়াল এবং অগমেন্টেড রিয়্যালিটি নিয়ে আরও বেশি কাজ করতে চান।

সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়া যেহেতু ​ফেসবুকের এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হওয়ার পথে আপাতদৃষ্টিতে কোনো বাধা নেই, তাই বলা যায় ফেসবুকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ মার্কের হাতেই থাকছে। তবে এই ‘ক্ষমতার জোর’ তিনি খারাপ না, বরং ভালো কাজে লাগাবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন। এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ সব ধরনের রোগ নিরাময়ের উপায় উদ্ভাবনের পথ তৈরি করতে চান। শিক্ষা বিস্তার এবং মানবকল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে চান তিনি। আর সে জন্য কাজ শুরু করতে চান এখন, আজ থেকে ৩০ বা ৪০ বছর পরে নয়।​

১৬৫ কোটি
প্রতি মাসে ফেসবুক ব্যবহার করেন
১০০ কোটি
প্রতি মাসে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন
৯০ কোটি
প্রতি মাসে মেসেঞ্জার ব্যবহার করেন
৪০ কোটি
প্রতি মাসে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন
লাইভ ভিডিও
সারা বিশ্বে চালু করা হয়
সংযোগ
ইন্টারনেট ডট অর্গের মাধ্যমে ২ কোটি ৫০ লাখ সংযুক্ত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও ফেসবুক ব্যবহার করতে পারবেন
অকুলাস রিফট
পঞ্চাশের বেশি গেম ও অ্যাপসহ বাজারজাত করা শুরু হয়
লাইকের বদলে প্রতিক্রিয়া (রিয়েকশনস) চালু

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি এর অারো খবর

top
ব্রেকিং নিউজ বিজয় দিবসে দি ইঞ্জিনিয়ার্স-এর সকল পাঠক-পাঠিকা, গ্রাহক-অনুগ্রাহক, বিজ্ঞাপনদাতা, দেশবাসী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
facebook
Advertisement