মহাশূন্যে ম্যারাথন!
মহাশূন্যে ম্যারাথন!
২০১৬-০৪-২৭ ০২:১৪:০৮
প্রিন্টঅ-অ+


আন্তর্জাতিক মহাশূন্য স্টেশনে (আইএসএস) পা-চালিত যন্ত্রটি (ট্রেডমিল) চালু হলো। সঙ্গে চালু হলো সময় গণনার যন্ত্রটিও। ট্রেডমিলের ওপরে লম্বা লম্বা পা ফেলতে শুরু করলেন ব্রিটিশ নভোচারী টিম পিকে। একই সময়ে লন্ডনের তিনটি পয়েন্ট থেকে ম্যারাথন শুরু করলেন হাজারো দৌড়বিদ। তখন লন্ডনে রোববার সকাল ১০টা।

এর মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হলো বিশ্ব রেকর্ড। প্রথম পুরুষ হিসেবে মহাশূন্যে ম্যারাথন সম্পন্ন করলেন পিকে। মোট ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ২১ সেকেন্ড সময় নেন তিনি। এই সময়ে তিনি ট্রেডমিলে দৌড়েছেন ২৬ দশমিক ২ মাইল পথ।

লন্ডনের রাস্তায় যাঁরা ম্যারাথনে অংশ নেন, তাঁদের চারপাশে ছিল দর্শকদের চিৎকার। মহাশূন্যে এমন কেউ না থাকলেও পিকেকে উৎসাহ দিতে ছিল টিভির সম্প্রচার। আরও ছিল রানসোশ্যাল নামের একটি আইপড অ্যাপ।

ম্যারাথন শেষ করার পরমুহূর্তেই বিজয়ীর বেশে দুহাত শূন্যে ছোড়েন পিকে। এসব ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ সরাসরি দেখছিলেন জার্মানির কোলন শহরে অবস্থিত ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ইএসএ) নভোচারী কেন্দ্রের কর্মীরা। মিশনের জন্য পিকে নিজেকে প্রস্তুত করেন এই কেন্দ্র থেকেই। তাই তাঁর দৌড় শেষ হওয়ার পর সেখানে শুরু হয় মুহুর্মুহু করতালি।

পিকের এই ঐতিহাসিক মিশনকে এরই মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। পিকে আগে থেকেই একজন দৌড়বিদ। সর্বশেষ তিনি ১৯৯৯ সালে লন্ডনে একটি ম্যারাথনে অংশ নেন। তখন বয়স ছিল বিশের কোঠায়। সেবার ৩ ঘণ্টা ১৮ মিনিট সময় নেন তিনি।

অবশ্য পিকে মহাশূন্যে ম্যারাথনে অংশ নেওয়া প্রথম নভোচারী নন। এর আগে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস ২০০৭ সালে মহাশূন্যে থেকে বোস্টন ম্যারাথনে অংশ নেন।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি এর অারো খবর