গ্রামীণফোনের মাই স্টাডি অ্যাপ
গ্রামীণফোনের মাই স্টাডি অ্যাপ
২০১৫-১১-১২ ০৭:৫৩:২৭
প্রিন্টঅ-অ+


গ্রামীণফোন টেলিনর ডিজিটালের সঙ্গে যৌথভাবে মাই স্টাডি প্রকল্প পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমাদ বাংলাদেশ ব্যাংক হাই স্কুলে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন।

নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাপটি বানানো হয়েছে। অ্যাপটিতে আপাতত জাতীয় পাঠ্যক্রমের গণিত ও ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচি উদ্বোধনের সময়ে গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় গ্রামীণফোনের আরেকটি উদ্যোগ মাই স্টাডি প্রকল্প।

এ অ্যাপ্লিকেশন তৈরির মূল উদ্দেশ্য, এটা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পুরক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচি বুঝতে ও শিখতে সহায়তা করবে এবং বোর্ড পরীক্ষার জন্য তাদেরকে প্রস্তুত করবে। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে।

অ্যাপটি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য কনটেন্ট পাবে ও তারা তাদের নিজেদের মূল্যায়ন করতে পারবে। যেক্ষেত্রে তাদের উন্নতি করা দরকার সে ব্যাপারে তারা প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাবে। অ্যাপটিতে বাবা মায়েদের জন্যও একটি মডিউল থাকবে যার মাধ্যমে তারা তাদের সন্তানদের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

প্রকল্পটি রাজধানীর আরামবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংক হাই স্কুলে অতিথিদের মধ্যে শিক্ষার্থী, বাবা-মা, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও অবিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

চার মাসে দেশজুড়ে ১০টি নির্বাচিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকল্পটি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে। এ বছরের নভেম্বর মাস থেকে আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত এ প্রকল্পটি চলবে। এটি ব্যবহারের প্রচারণা অনলাইন মিডিয়া ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চালানো হবে। ভবিষ্যতে অ্যাপটির প্রাথমিক উদ্যোগের বিষয়ে ব্যবহারকারীদের মতামতের ওপর ভিত্তিতে আরও অনেক বিষয় যুক্ত করা হবে।

স্কুলে পাইলট প্রকল্পের সময় ডিভাইস সেবা দেবে সিম্ফনি। এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য গ্রামীণফোনের প্রযুক্তির রূপান্তরের ক্ষেত্রে অবদান রাখা এবং দেশজুড়ে মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থার শূন্যতা পূরণে সেতু নির্মাণ করা।

দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে বলতে গিয়ে সিএমও বলেন, প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে শহুরে ও গ্রামীণ স্কুলগুলোর মধ্যে যে অসাম্য রয়েছে তা দূর করার মাধ্যমে ইন্টারনেট কিভাবে শিক্ষা বিপ্লবের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে প্রকল্পটি তার একটি দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

পরিবেশ এর অারো খবর