রিজার্ভ চুরি: সন্দেহভাজন ২ চীনা ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ
রিজার্ভ চুরি: সন্দেহভাজন ২ চীনা ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ
২০১৬-০৩-৩০ ০১:১১:৩৩
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরিতে জড়িত সন্দেহভাজন দুই চীনা ব্যবসায়ীর নাম প্রকাশ করেছেন কিম অং। এই কিম অং হলেন চীনা বংশোদ্ভূত ফিলিপিনো ব্যবসায়ী। তিনি এই চুরির সন্দেহভাজন অন্যতম পরিকল্পনাকারী।

দেশটি সংবাদমাধ্যম ইনকোয়েরার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে এ তথ্য জানান কিম অং। এই কমিটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফিলিপাইনে পাচারের ঘটনার তদন্ত করছে।

কিম অং বলেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দুই চীনা ব্যবসায়ীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তারা হলেন-সুহুয়া গাও ও ডিং ঝিজে। রিজেল কর্মাশিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) মাধ্যমে তারা ওই অর্থ ফিলিপাইনে নিয়ে আসেন বলে জানান তিনি।

অবশ্য সিনেট কমিটির সামনে আসার আগে থেকেই স্থানীয় গণমাধ্যমের সামনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন কিম অং।
এর আগে সিনেটের ব্লুরিবন কমিটির শুনানিতে আরসিবিসি মাকাতি সিটির জুপিটার স্ট্রিট শাখার ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস-দেগুইতোর দেওয়া বক্তব্যের সূত্র ধরেই এ জালিয়াতিতে কিম অংয়ের নাম আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে সঞ্চিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ওই ব্যাংকেরই চারটি অ্যাকাউন্টে জমা হয়। তবে সিনেট কমিটির শুনানিতে ওই চার অ্যাকাউন্টের মালিককে তলবের জন্য নাম-ঠিকানা খুঁজলে দেখা যায় সেগুলো ভুয়া।

ব্লু রিবন কমিটির সদস্য সিনেটর সের্গিও ওসমেনাকে উদ্ধৃত করে ইনকোয়েরার এর আগে জানিয়েছিল, কিম অংই ওই ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলো খুলতে বলেছিলেন দেগুইতোকে। ফিলরেম নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ডলার ভাঙানোর নির্দেশও তিনিই দিয়েছিলেন।

এদিকে, ফিলিপাইনভিত্তিক এবিএস-সিবিএন নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধ মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১৫ বছর আগেও একবার সিনেট ব্লু রিবন কমিটিতে শুনানির মুখোমুখি হন কিম অং।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

অর্থনীতি এর অারো খবর