দেশের প্রতি বিভাগেই বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার
দেশের প্রতি বিভাগেই বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার
২০১৫-১১-১০ ০৯:৩০:৫৯
প্রিন্টঅ-অ+


শিশুদের বিজ্ঞানমনষ্ক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামমুখর ও কর্মময় জীবন তুলে ধরতে দেশের প্রতি বিভাগে একটি করে বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার নির্মাণ করা হবে। সব মিলিয়ে সারা দেশে বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৮টি।

ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের মহাপরিচালক আরশাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সবাই জানেন, ঢাকায় এটি শুধু বিনোদন কেন্দ্র নয়। বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারে আসা শিশুরা বিনোদনের মাধ্যমে অনেক কিছু উপভোগ করতে পারছে। পাশাপাশি সৌরজগৎ, বিজ্ঞান ও উদীয়মান বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামমুখর জীবন সম্পর্কেও জানতে পারছে।

আরশাদ হোসেন জানান, দেশের সাত বিভাগে বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার নির্মাণ করে শিশুসহ নতুন প্রজন্মের কাছে বিজ্ঞান ও দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরা হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধুর কর্মমুখর জীবনী নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ৩০ মিনিটের লার্জ ফরম্যাট ডিজিটাল ফিল্ম। এ ফিল্মের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।

বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন দেশের সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। এটি যে কোনোদিন প্রদর্শন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন। এজন্য বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারে বিদ্যমান প্রদর্শনী ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার মুখেও।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাল্য জীবন, কলকাতায় শিক্ষা গ্রহণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে জেল-জুলুম, ত্যাগ-তিতীক্ষার পাশাপাশি বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের নানা অজানা অধ্যায় বাংলাদেশের শিশু-কিশোর-তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগী হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো থিয়েটার।

কেননা বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একটির সঙ্গে আরেকটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে কোনভাবেই বাংলাদেশকে ভাবা যায় না। অবশ্য ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তার নাম ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলার হেন চেষ্টা বাদ রাখেনি খুনি ও তাদের দোসররা। কিন্তু তারা সফল হয়নি। ইতিহাসে সত্যটাই বেরিয়ে এসেছে। আজ বঙ্গবন্ধু কেবল বঙ্গবন্ধুই।

নভো থিয়েটারের মহাপরিচালক বলেন, বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারকে শিশুদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে গত ৩০ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর ব্যাপক সংস্কার করা হয।

তিনি বলেন, এখানে শুধু শিশুরা নয়- তাদের অভিভাবকরাও আসেন। শিশুরা আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষালাভ করে। অভিভাবকরা ঢাকার কর্মময় জীবনের ফাঁকে কিছুটা আমুদে সময় কাটিয়ে যান।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর