৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সিঙ্গাপুরের সহায়তা
৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সিঙ্গাপুরের সহায়তা
২০১৬-০৩-০৮ ০১:০১:১৫
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মেগাওয়াট অাল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে একটি পূর্ব প্রস্তুতিমূলক প্রকল্পের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে শিগগিরই। মূল প্রকল্পটি যথাসময়ে ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য পূর্ব প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম হিসেবে জমি অধিগ্রহণ, জমির সুরক্ষা এবং প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হবে।

‘বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ৭০০ মেগাওয়াট অাল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভূমি অধিগ্রহণ, সুরক্ষা এবং ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে ১ হাজার ৩৫০ একর জমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন ও প্রকল্পের সম্ভাব্যতা জরিপ করা হবে। প্রকল্প এলাকায় সমুদ্র ও নদীতীর ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হবে। অধিগ্রহণ করা ভূমিতে প্রবেশ রোধকল্পে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সদস্য(সচিব) আহমদ হোসেন খান জানান, প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ৭৪৬ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)।

প্রকল্পটি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। ৭০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরিবেশগত মূল্যায়নের মাধ্যমে সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে এরই মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সেমক্রপ (এসইএমবিসিওআরপি) কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে সিপিজিসিবিএল।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) মঙ্গলবারের (০৮ মার্চ) বৈঠকে প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা। একনেক কাযর্তালিকায় মোট ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ৩ নম্বরে রয়েছে প্রকল্পটি।

নানা গুরুত্বের কথা বিবেচনা করেই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হচ্ছে। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান ২০১০-এ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লাকে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে জ্বালানি বহুমুখীকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ মহাপরিকল্পনায় ২০৩০ সাল নাগাদ মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

স্বদেশ এর অারো খবর