গ্রামীণফোন কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির দাবি
গ্রামীণফোন কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির দাবি
২০১৬-০৩-০৫ ০০:০২:০৬
প্রিন্টঅ-অ+


সরকারী কর্মচারীদের বেতন বেড়েছে ১২৩ ভাগ। এর প্রভাব পড়েছে বাজার অর্থনীতিতে। তাই গ্রামীনফোন সেলারি বাস্তবায়ন কমিটি কর্মচারিদের বেতনও ১০০ ভাগ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য ভাতাদিও যৌক্তিকভাবে পূননির্ধারণ করার দাবি জানায়।

ন্যায্যতা ভিত্তিক বেতন ভাতাদি নির্ধারণের দাবিতে গ্রামীনফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউজে এক সমাবেশে এ দাবি উত্থাপন করেন তারা।

এ সময় গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নেতারাসহ পাঁচ শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন সরকারি কর্মচারিদের বেতন ১২৩ ভাগ বাড়ানোর ফলে বাজার অর্থনিতিতে যে প্রভাব পড়েছে তার ফলে গ্রামীণফোনের কর্মচারিদের বেতনও ১০০ ভাগ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য ভাতাদিও যৌক্তিকভাবে পূননির্ধারণ করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন গ্রামীণফোনে বেতন ভাতাদি নিয়ে চরম বৈষম্য বিরাজমান। সভায় এই আন্দোলনের নীতি হিসাবে ঘোষনা করা হয়: ১। ছাটাই যেখানে প্রতিরোধ সেখানে, ২। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী চলবে, ৩। কোম্পানির উৎপাদন পক্রিয়াকে কোনভাবেই ব্যহত করা যাবে না এবং ৪। কোনভাবেই কোন নেতিবাচক কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে না।

বক্তারা বক্তব্য শুরু করার প্রথম থেকেই সেখানে উপস্থিত হন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজীব শেঠিসহ ম্যানেজমেন্টের প্রায় সকল কর্মকর্তা।

সবার বক্তব্য শোনার পর রাজীব বলেন, আমার দরজা সবার জন্য খোলা আছে। কারও ব্যক্তিগত কোন প্রয়োজন হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এভাবে যারা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করছে তারা অযৌক্তিক কাজ করছে। এছাড়া এই প্রক্রিয়ায় কোনভাবেই বেতন বৃদ্ধি হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।

গ্রামীণফোনের চলমান ইউনিয়ন প্রসঙ্গে রাজীব শেঠি বলেন, আমি ইউনিয়ন করতে কোথাও বাধা দিচ্ছি না। বর্তমানে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন নিয়ে মামলা চলছে। তাদের পক্ষে মামলার রায় আসলে সেটা আমরা মেনে নিবো। এদিকে রাজীবের বক্তব্য দেওয়ার সময় অনেকটা থ্রেড করা হয়েছে বলেও উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন।

এর আগে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ টাউন হলের নির্ধারিত স্থান ময়দানে (জিপি অডিটরিয়াম) কোন প্রকার কর্মসূচি করা যাবে না বলে জানান। অবশেষে বাধ্য হয়ে সেলারি বাস্তবায়ন কমিটি ডাইনিং হলে (খাবার হলে) নিজেদের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি পালন ও নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে। এদিকে সভায় বক্তারা যখন বক্তব্য শুরু করেন তখন ডাইনিং হলে (খাবার হলে) এয়ার কন্ডিশনিং বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেছেন।

আতিকুজ্জামান মির্জার সভাপতিত্বে মাযহারুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জিপিইইউ-এর সভাপতি ফজলুল হক। বক্তব্য রাখেন জিপিপিসি-এর সেক্রেটারি সুব্রত কুমার দাস, কেন্দ্রিয় নেতা আহম্মদ মনজুর উদ-দৌলা, টেরিটরি অফিসার ইমরুল কায়েস, কেন্দ্রিয় নেতা আসিফ ইকবাল এবং সাধারন সম্পাদক মিয়া মাসুদ। টাউন হল থেকে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষনা করা হয় এবং তা ঘোষনা করেন সেলারি বৃদ্ধি বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি আতিকুজ্জামান মির্জা। তিনি জানান, আগামী ৭ মার্চ বিকাল ৫টায় জিপি হাউজের প্লাজা এরিয়ায় শান্তির কপোত অবমুক্ত করা হবে এবং বেলুন উড়ানো হবে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

অর্থনীতি এর অারো খবর