বাংলাদেশের ৮টি বড় জয়
বাংলাদেশের ৮টি বড় জয়
২০১৬-০৩-০৪ ০০:৪৬:৫১
প্রিন্টঅ-অ+


এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া অনেকটা স্বপ্নের মতো। এই উদ্দেশেই তো খেলতে নামা। এই সাফল্যই তো ভবিষ্যত প্রজন্মকে ক্রিকেটে নিয়ে আসবে। তামিম, সৌম্য, আল আমিন, সাকিবদের সাফল্যের ইতিহাস বাংলাদেশ ক্রিকেটে চর্চার কেন্দ্রে থাকবে আরও কয়েক যুগ। অতীতেও সাফল্য এসেছে। টি২০ তে একাধিক বড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। কখনও ঘরের মাঠে কখনও বিদেশে। সামনে কখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজ, কখনও পাকিস্তান বা অন্য কোনও দল। সেই ইতিহাসেই একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।

০২ মার্চ ২০১৬: পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ৫ বল বাকি থাকতেই জিতে এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ।
পাকিস্তানকে ১২৯ রানে আটকে দেওয়ার পর শেষ ওভারের প্রথম বলে বাংলাদেশকে জয়ের রান এনে দিল মাহমুদুল্লাহ।
সৌম্য সরকারের ৪৮ রানের ইনিংস ও আল আমিন হোসেনের ৩ উইকেটে বাজিমাত বাংলাদেশের।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬: গতবারের এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দিল ২৩ রানে।
সাব্বির রহমানের ৮০ রানের ইনিংস ও বল হাতে তাসকিন আল আমিল হোসেনের তিন উইকেটে বাজিমাত বাংলাদেশের।
প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ১৪৭ রান করেছিল। শ্রীলঙ্কা সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে ব্যর্থ।

২৪ এপ্রিল ২০১৫: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম বড় জয় বাংলাদেশের।
ঢাকায় আফ্রিদিদের ১৪১ রানে আটকে দেওয়ার পর খুব সহজেই জয়ের রান তুলে নিয়েছিলেন সাকিব, মুশফিকুররা।
অপরাজিত ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব। চারটি করে উইকেট নেন মাশরাফি ও আরাফত।

১৮ মার্চ ২০১৪: চট্টগ্রামে নেপালকে ৮ উইকেটে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ।
নেপালের ১২৬ রানের জবাবে মাত্র দু’উইকেট হারিয়েই জয়ের রান তুলে নিয়েছিলেন তামিম, আনামুলরা।
আল আমিন হোসেন সেই ম্যাচে জোড়া উইকেট নিয়েছিলেন। তামিল খেলেছিলেন ৩০ রানের ইনিংস।

১৬ মার্চ ২০১৪: বড় জয় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে। বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আফগানরা।
৭২ রানে আফগানিস্তান অল আউট হওয়ার পর ৯ উইকেটে তাঁদের হারিয়ে দেন তামিম, সাকিবরা। বল হাতে তিন উইকেট নেন সাকিব।

১২ মে ২০১৩: বুলাওয়েতে প্রথমে ব্যাট করে ১৬৮ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।
কিন্তু সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি জিম্বাবোয়ে। চার উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান।
সঙ্গে করেছিলেন ৪০ রানও। ব্যাটে বলে এই জয়ের পিছনে বড় অবদান ছিল তাঁর।

২৫ জুলাই ২০১২: হগে পরে ব্যাট করে নেদারল্যান্ডসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ।
তখনও বাকি দু’ওভার। এই বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব তখন ছিল তামিম, সাকিব, মুশফিকুর, মাহমুদুল্লাহদের হাতেই।
সেই ম্যাচে অপরাজিত ৬৯ রান করেছিলেন তামিম।

১১ অক্টোবর ২০১১: ঢাকার মাটিতে পরে ব্যাট করে ১ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ।
সেই দলে ছিলেন তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমরা।১৩৩ রানের টার্গেট ছিল বাংলাদেশের সামনে।

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

ক্রীড়া এর অারো খবর