অনলাইনে দেওয়া যাবে কোর্ট ফি
অনলাইনে দেওয়া যাবে কোর্ট ফি
২০১৬-০২-০৩ ২৩:৪৯:৪১
প্রিন্টঅ-অ+


অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কোর্ট ফি প্রদানের সুযোগ রেখে বুধবার জাতীয় সংসদে ‘কোর্ট ফিস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০১৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে বলা হয়েছে, কোন ধরণের স্ট্যাম্প বিক্রিতে যদি অনুমোদিত কোন ব্যক্তি আইনের বিধি ভঙ্গ করলে এবং অননুমোদিত কোন ব্যক্তি স্ট্যাম্প বিক্রি করলে তার ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে। বর্তমানে ৫০০ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনে বলা আছে, কোর্ট ফি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে, যদি না পাওয়া যায় তা নগদে পরিশোধ করতে হবে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে ইলেকট্রোনিক ও ডিজিটাইজ ট্রান্সজেকশনের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, সরকার তফশিলী ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর, মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কোর্ট ফি নিতে এবং রিফান্ড করতে পারবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, “নামজারি, জমির পর্চা ইত্যাদি সেবাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। কিন্তু সহজলভ্য না হওয়ায় কোর্ট ফি প্রদানের সময় সাধারণ জনগণকে অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হয়। ”

আইনমন্ত্রী বলেন, “জনগণের হয়রানি রোধকল্পে সহজেই এবং দ্রুততার সাথে জনসেবা পৌঁছে দেওয়ার স্বার্থে ই-পেমেন্টের মাধ্যেমে/ অনলাইনে কোর্ট ফি জমার সুযোগ সৃষ্টি করতে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা অত্যস্ত প্রয়োজন। সংশোধনী আনা গেলে কোর্ট ফি ছাপানো, সংরক্ষণ ও পরিবহনের বিশাল ব্যয় হ্রাসসহ জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হবে। একই সাথে তা দেশের সকল শ্রেণির মানুষকে বিভিন্ন প্রয়োজনে কোর্ট ফি জমা দিতে অহেতুক ভোগান্তি থেকে রক্ষা করবে।”

ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট অাইনে পু্র্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা ।

মন্তব্য

মন্তব্যে প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে ইঞ্জিনিয়রবিডি ডটকম-এর কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো দায় নেবে না।

আইন ও অধিকার এর অারো খবর